সাক্ষাৎকার

দলকেও সরকারের মতো শক্তিশালী করা হবে-ওবায়দুল কাদের

নিউজ ডেস্ক | আওয়ামী লীগের সদ্য নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তার ওপর আস্থা রেখে যে বিশাল দায়িত্ব ন্যস্ত করেছেন, তা প্রতিপালনে তার শ্রম, সামর্থ্য ও মেধা উজাড় করে দেবেন। তার আস্থার অমর্যাদা হবে না। আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে যে বিশাল কর্ম-পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তা বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালনে দলকেও সরকারের মতো শক্তিশালী করা হবে।

বিএনপি আদৌ সংলাপ চায় কি-না, এ নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেছেন আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগের প্রকাশ্য কোনো শত্রু নেই। বিএনপিরও আন্দোলন করার মতো ক্ষমতা নেই।

ওবায়দুল কাদের গতকাল বুধবার সচিবালয়ে স্বীয় মন্ত্রণালয়ে সমকালের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে নানা প্রসঙ্গে খোলামেলা কথাবার্তা বলেন। দলের ভেতরে কিছু সমস্যার কথাও স্বীকার করেন নতুন সাধারণ সম্পাদক।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে নভেম্বর থেকে সারাদেশে সাংগঠনিক সফর শুরু করবেন ওবায়দুল কাদের। তার কড়া হুঁশিয়ারি, জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত নেতাকর্মীদের ছাড় দেওয়া হবে না। দলের হাইব্রিড নেতাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকা হবে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের জন্য তার দরজা সব সময় খোলা থাকবে। তিনি জঙ্গি হামলা থেকে শুরু করে আগাম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন ও জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে সরকারের অবস্থানের কথাও বলেছেন।

সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়াকে ওবায়দুল কাদের তার রাজনৈতিক জীবনের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি বলে মনে করেন। তিনি সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আপাতত তিনটি এজেন্ডা নির্ধারণ

করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রথমত, দলকে আরও শৃঙ্খলার মধ্যে আনা হবে। দ্বিতীয়ত, দলে চেইন অব কমান্ড নিশ্চিত করা হবে। তৃতীয়ত, সাম্প্রদায়িকতা এবং উগ্রবাদকে পরাস্ত করা হবে। তিনি বলেন, দলের দুঃসময়ের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে।

বিএনপির সঙ্গে সংলাপ :বিএনপির সঙ্গে আলোচনা করবেন কি-না এমন প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, বিএনপি কি আসলেই সংলাপ চায়? সংলাপ চাইলে তো তারা প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সাড়া দিত। প্রধানমন্ত্রী টেলিফোন করে আমন্ত্রণ জানালেও বিএনপি চেয়ারপারসন তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। বিএনপি এখনও গত নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার খেসারত দিচ্ছে। পাঁচশ’ লোকের মিছিলও করতে পারছে না। তারা বিরোধী দলের সম্মানও হারিয়েছে। আগামী নির্বাচনে অংশ না নিলে ভুলের চোরাবালিতেই আটকে থাকবে বিএনপি।

জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সরকার দোদুল্যমান_ এ বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকার এ বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

আগাম নির্বাচনের কথা ভাবছেন কি-না এ প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আদৌ নয়। আগাম নির্বাচনের প্রশ্নে সরকারের ওপর কোনো চাপ নেই। তিনি বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনও সর্বদলীয় সরকারের অধীনে হবে। যে প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়ে থাকে, ঠিক সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। আগামীর নির্বাচন কমিশন সবার প্রত্যাশা পূরণ করে গ্রহণযোগ্য অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করবে বলে তিনি মনে করেন।

জঙ্গি হামলা_ সতর্ক থাকতে হবে :গুলশান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এখনও নিরুদ্বিগ্ন হওয়ার সময় আসেনি। জাপানের পরামর্শক হত্যার পর মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হচ্ছে। ৪৫টি প্রকল্প ধীরগতিতে এগোচ্ছে। এখন অবশ্য সব প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর সফলতাও পাওয়া যাচ্ছে। তিনি জঙ্গি হামলার বিষয়ে বলেছেন, এখনও কিছু বলার উপায় নেই। তলে তলে ওই অপশক্তি বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কি-না, কে জানে? তবে সরকার সন্ত্রাস মোকাবেলায় সার্বক্ষণিকভাবে সতর্ক ও সজাগ রয়েছে। জনগণও এই অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। সন্ত্রাসকে আন্তর্জাতিক সমস্যা হিসেবে অভিহিত করে ছাত্রলীগের দুই দফার সাবেক এই সভাপতি আরও বলেন, আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, নরওয়েসহ পৃথিবীর কোনো দেশই সন্ত্রাসমুক্ত নয়। বিপজ্জনক রাষ্ট্র পাকিস্তান তো সন্ত্রাসের লীলাভূমি। লন্ডনে প্রকাশ্যে এমপি খুন হয়েছেন। নরওয়ে ও ফ্রান্সে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। এই সন্ত্রাসীদের পরাজিত করতে হবে।

পরিশ্রমের পুরস্কার :সম্মেলনে কাউন্সিলরদের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক হওয়ার মুহূর্তে আবেগাপ্লুত হওয়ার কথা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ওই সময়ে খুব স্মৃতিকাতরে ডুবে যাই। দীর্ঘকাল ধরে আওয়ামী লীগ করছি। একেবারে তৃণমূল থেকে উঠে এসেছি। সেই কলেজজীবন থেকে দলের জন্য পরিশ্রম করে আসছি। তাই সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর মনে হয়েছে, আমি আমার রাজনৈতিক জীবনের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি পেয়েছি। পরিশ্রমের সবচেয়ে বড় পুরস্কার পেয়েছি। আমার অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে এই স্বীকৃতি দিয়েছেন। তবে ১০ বছর আগে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলে হয়তো আরও বেশি উদ্যমী থাকতে পারতেন বলে মনে করেন তিনি।

বেশি এজেন্ডা নয় :ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গালভরা বুলি আউড়িয়ে যা খুশি অঙ্গীকার করতে চান না তিনি। অনেক ডিম একসঙ্গে একটি ঝুড়িতে রাখলে ভাঙার আশঙ্কা থাকে। তাই বেশি এজেন্ডা নেওয়া ভালো নয়। আগামী ২০২১ সালকে টার্গেট করে সরকারের সব অর্জন ধরে রাখার পাশাপাশি উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও মধ্যম আয়ের দেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বেশি মনোযোগী হতে হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে শক্তিশালী টিমওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আরও বলেন, সংগঠনকে আরও বিস্তৃত করা হবে। তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঐক্যের প্রতীক। আওয়ামী লীগে কিছুতেই অনৈক্য ও বিভেদ প্রশ্রয় পাবে না। মতান্তর হতে পারে। কিন্তু মনান্তর নয়। তিনি আওয়ামী লীগকে তৃণমূল পর্যন্ত সুশৃঙ্খল করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের সঙ্গে নেতাকর্মীদের আচার-আচরণের বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। কারণ, ১০টি বড় অর্জন দুটি খারাপ কাজেই ধূলিসাৎ হবে।

কিছু সমস্যা তো আছেই :ওবায়দুল কাদের বলেন, দলের ভেতরে কিছু সমস্যা তো আছেই। তৃণমূল সম্পূর্ণ নিষ্কলুষ, এটা দাবি করা যাবে না। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের অভিজ্ঞতা তুলে তিনি বলেন, দলকে সুসংগঠিত করা দরকার। আওয়ামী লীগ দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল। এই দলের একটা ঐতিহ্যগত সৌন্দর্যবোধ আচরণ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে কিছুটা অবনতি হয়েছে। তাই দলের চেইন অব কমান্ড কার্যকরভাবেই প্রতিষ্ঠা করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এ মুহূর্তে দলের ইউনিয়ন থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত শৃঙ্খলাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। দলীয় কার্যালয়কে কাজ করার মতো পরিবেশবান্ধব করতে হবে, যাতে নেতাকর্মীরা দলীয় অফিসে আসতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, কেন্দ্র থেকে পোস্টার পাঠানো হলে অনেক জায়গায় সঠিকভাবে বিতরণ করা হয় না। আবার কেন্দ্রীয় কোনো নির্দেশনা পাঠানো হলে বহু জেলা ও উপজেলার সভাপতি জানেন তো সাধারণ সম্পাদক জানেন না। এ জন্য দলের সর্বত্র টিমওয়ার্ক ও সমন্বয় দরকার। সেটাই গড়ে তুলতে চান ওবায়দুল কাদের।

নতুন নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ :নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি ওবায়দুল কাদের নতুন নেতৃত্বের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলেছেন, সর্বস্তরের নেতাকর্মীর মধ্যে নবজাগরণ লক্ষ্য করেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতেই হবে। কেননা নেতাকর্মীরা মনে করছেন, এতদিন যা কিছু হয়নি সেটাই হবে নতুন কার্যনির্বাহী সংসদের নেতৃত্বে। এই নেতৃত্বকে বিপদসংকুল বন্ধুর পথ পাড়ি দিতে হবে। আগামী সংসদ নির্বাচনকে টার্গেট করে সরকারের উন্নয়ন ও নেতাকর্মীদের সুন্দর আচরণের সংমিশ্রণে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখতে হবে। বর্তমান সরকার খুবই শক্তিশালী। দলকে আরও শক্তিশালী করাই হবে নতুন নেতৃত্বের প্রধান কাজ।

কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না :কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দলীয় নেতাদের মধ্যে যাদের বিরুদ্ধে জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যাবে, আগামী সংসদ নির্বাচনে তাদের মনোনয়ন পাওয়া দুষ্কর হবে। কর্মীদের কেউ অনৈতিক ও অপ্রত্যাশিত কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে, সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেছেন, আচার-আচরণে পরিবর্তন এনে জনগণের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য হতে হবে নেতাকর্মীদের। আওয়ামী লীগ না বদলালে বাংলাদেশ বদলাবে কী করে?

নভেম্বরে সাংগঠনিক সফর :আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী দলের সম্মেলনে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে যে ডাক দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, খুব দ্রুতই নির্বাচনভিত্তিক সাংগঠনিক কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হবে। সেই সঙ্গে দেশব্যাপী গণসংযোগে বের হবেন নতুন কার্যনির্বাহী সংসদের নেতারা। তিনি আগামী নভেম্বর থেকে সাংগঠনিক সফরে বের হবেন।

তৃণমূলের জন্য সব সময় দরজা খোলা :দল পরিচালনার প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছাড়বেন কি-না_ এমন প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একই সঙ্গে মন্ত্রিত্ব ও নেতৃত্ব পরিচালনায় তার কোনো অসুবিধা নেই।

তার দৃষ্টিতে, তিনি কখনই নিজেকে মন্ত্রী ভাবেন না। তিনি দেশ, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের কর্মী। তবে দলের নেতৃত্ব পাওয়ায় ভালোই হয়েছে। তিনি এতদিন মন্ত্রী হিসেবে রাস্তায় যেতেন। তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট সমস্যার সমাধান দিতেন। কিন্তু দলের কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারতেন না। শুধু নেতাকর্মীদের অভিযোগ শুনতেন। এখন মন্ত্রীর পাশাপাশি, নেতা হিসেবে রাস্তায় গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলেই দলীয় সমস্যার সমাধান দিতে পারবেন। প্রয়োজনে দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি টেলিফোনে কথা বলে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত দেবেন। তাছাড়া তৃণমূল নেতাকর্মীদের জন্য তার দরজা সব সময় খোলা থাকবে।

আওয়ামী লীগের নয়, দেশের মন্ত্রী :সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেছেন, তার মন্ত্রণালয় সম্পূর্ণ দলীয় প্রভাব মুক্ত। তিনি আওয়ামী লীগ নন, দেশের মন্ত্রী। তিনি মন্ত্রণালয়ে আসার সময় লিফটের প্রবেশ পথেই আওয়ামী লীগকে রেখে আসেন বলে জানিয়েছেন।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশ ও জনগণের অনেক উন্নয়ন করেছে। বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের পাশাপাশি রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, কৃষিসহ সকল খাতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হচ্ছে। গৃহকর্মী ও রিকশাচালক থেকে শুরু করে সবার কাছে মোবাইল ফোনের সুবিধা পেঁৗছে গেছে। তথ্যপ্রযুক্তি পেঁৗছে গেছে ইউনিয়ন পর্যায়ে। সেই সঙ্গে দলেও দিনবদলের ছোঁয়া লেগেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো রাজনৈতিক দলের সম্মেলন ঘিরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে এত উৎসাহ দেখা যায়নি।

ঠেকানো হবে হাইব্রিড :ওবায়দুল কাদের বলেছেন, হাইব্রিড নেতাদের ঠেকানো মুশকিল। ক্ষমতাসীন দলে হাইব্রিড নেতারা আসে। তবে তাদের ঠেকানো হবে। সুসময়ের মৌসুমি পাখিদের দাপটে দুঃসময়ের নেতাকর্মীরা যাতে কোণঠাসা হয়ে না পড়েন, সেটা শতভাগ নিশ্চিত করা হবে। সেটা না হলে দল থাকবে না।


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন