সাহিত্য

প্রেম কাহিনী

মোঃ আরিফ হাসান। একটি অতি সাধারন ঘরে জন্ম আমার বাবা মায়ের ঘড়ে আমরা তিন ভাই একটি মাত্র ছোট বোন বেশ ভালই চলছিল দিন কাল
বড় এবং ছোট ভাই স্কুলে পড়ে, মা বাবার সপ্ন ছিল আমাকে মাদ্রাসায় পড়াবে আমি তখোনো দুনিয়া এবং আখিরাত সমপর্কে কিছুই বুঝতানা, তো যেই কথা সেই কাজ আমাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দিলেন আমার ফুপা, আমি ছোট থেকেই ঘুমে খুব কাতর ছিলাম তাই ফজরের সময় আমার ঘুম ভাংতনা হুজুর আমাকে প্রায়োসই শাস্তি দিতেন আমি শত চেষ্টা করেও জাগতে পারতামনা হুজুর একদিন রেগেগিয়ে
কন কনে শিতের ভিতর আমাকে পকুরে নামিয়ে দিলেন আর বল্লেন তুই তোর নাক টা পানির উপরে রেখে পানিতে দারিয়ে থাক তখন আমার মনে হচ্ছিল যে আমি মনেহয় আর বাচবনা আমি মারাই যাব ক্রমসেই পানিতে ঠান্ডায় আমার হাত পা জরো হোয়ে যাচ্ছিল এক সময় আমি পানিতে পরি পুর্ন ভাবে তলিয়ে যাই তখ মাদ্রাসার যে সব ছাত্র ভায়েরা বড় ছিলেন তারা আমাকে পানি থেকে উদ্ধার করেন
পরে আমি ঐ মাদ্রাসা ত্যাগ করি অর্থাত অন্যত্র ভর্তি হই
লেখা পড়া চলছে আমার ঘুম সেও কন্ট্রলে চলে আসছে আমি ঠিকি ফজরের সময় অন্য সবার মতই উঠি নামাজ পরি এবং ক্লাসের পড়াও পড়ি বেশ ভালই চলছে দেখতে দেখতে কেটে গেল অনেকটা বৎসর আমার আমার কন্ঠটাও বেশ ভাল আমি ভাল গজল গাইতে পারতাম আমার উঠন্ত বয়স আমি অনেকটাই চঞ্চল প্রকিতির ছিলাম আমার একজন খুব ভাল বন্ধু ছিল আমি ওকে ছাড়া কিছু বুজতামনা, আমাকে ছাড়া ওরো কিছু ভাল লাগতনা অঠাত একদিন ও বলছে ওর গ্রামে একটি মহিলা হাফিজিয়া মাদ্রাসায়
মাহ ফিল, আমার বন্ধু বল্লো তুই না গেলে আমি যাবনা
আমি অনেক করে বোঝানোর পরেও ওর একি কথা ও আমাকে ছাড়া যাবেনা,আমি আগেই বলেছি আমি ভাল গজল গাইতে পারতাম হয়ত সেজন্যই আরো কঠোর ভাবে আমাকে নেয়ার জন্য চেস্টা করছে,আমি রাজি হলাম চিন্তা করে দেখলাম কালতো শুক্রবা বন্ধ আছে যাই বেশ ভালই লাগবে অতপর, আমার একটি বাই সাইকেল যোগে বন্ধুর গ্রামে প্রথম বারের মত গেলাম পৌছাতে দেরি হোয়েছে বলে, আগেই বন্ধুর বাড়ি না গিয়ে প্রথমে যেখানে মাহফিল সেখানে গেলাম এবং আমাকে যে জন্য এতো চেস্টা করে নিয়ে গেছে মানে গজল গাইতে হবে, আমি বিসমিল্লাহ বলে কাইক্রফোন হাতে নিয়ে একটি সালাম দিয়ে গজল গাওয়া শুরু করলাম আগেই বলেছি মহিলা মাদ্রাসা, সবাই খুব পর্দা শিল হঠাত আমার চোখ গজল শুরুতেই মাদ্রাসার গেইটের দিকে পরল দেখলাম অনেক গুলি ছাত্রি কিন্তু হিজাব পরা একটি ছাত্রি তার মুখটা খোলা দেখতে অনেক সুন্দর আমার দিকে তাকিয়ে আছে, আমি বার বার আমার চোখ কন্ট্রল করছি কিন্তু চোখ সে বাধা মানছেনা,বারবার শুধু তার দিকেই চলে যাচ্ছে এই ভাবে গজল গাওয়ার মধ্যেই সময় পার মেয়েঠি ভিতরে চলে গেল,আমি আর গজল গাইলামনা, আমার বন্ধু বল্লো চল এবার বাড়ি যাই আমার বন্ধুর বাড়ি আর ঐ মাদ্রাসা পাঁচ মিনিটের রাস্তা মাত্র,আমরা বাড়ি পৌছালাম ওর বাবা ঐসময় বাড়ি ছিলেন্না আমি ওর মাকে সালাম দিলাম উনি উত্তর ফিড়িয়ে বল্লেন বাবা তোমরা সেই কখন আসছো অনেক ক্ষুধা লাগছে এখন তারা তারি খেয়ে নাও আমাদের দুজনকে খুব আদর করে খাওয়াচ্ছেন আমার বন্ধু ভাতে পর্জাপ্ত লবন খায় তাই আন্টি বল্লেন ওর বোনকে মা লবন নিয়ে আসো তোমার ভাই সেতো লবন ছাড়া ভাত খেতে পারেনা,ওর বোন লবন নিয়ে আসল, আমি দেখে অবাক সেই সুন্দরি মেয়েটি আর কেও নয় সেজে ওর ছোট বোন, আমার মনের মধ্যে যত টুকু ভালোবাসা জন্মেছিল ওর বোন এই কথা জানার পর মনের মধ্যেই কবর দিয়ে দিলাম আমি এই ভেবে প্রথম দেখা ভালোবাসা সেষ করে দিলাম যে এখানে যদি আমার দারা ওর বোনের প্রতি ভালোবাসা হয় তাহলে সারা জীবনের জন্য কখোনো কেও বন্ধুকে বিশ্বাস করে তার বাড়ি নিবেনা,আর ওর মা আমাকে জে পরিমান আদর করেছে আমি সেই স্নেহকে প্রাধান্য দিয়ে সব ভুলে গেলাম এখানেই সেষ হলে ভাল হত।

কিন্তু তা আর হলনা আমরা পরদিন চলে আসলাম মনের ভিতরটা আমার কেমন যেন করে
আমি কিছুতেই ভুলতে পারছিনা সেই প্রথম দেখা হাসি মুখ বার বার আমার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল আর মন বলছিল হায় কপাল আমার জীবনে প্রথম একটি মেয়েকে ভাল লাগর তাও আবার আমার বন্ধুর বোন,ভিতরে ভিতরে কষ্ট নিয়েই চলছে দিন
রাতে ঘুমানোর সময়
বার বার শুধু মনে পরছিল সেই একটি মুখ বুজলাম এরিনাম বুঝি প্রেম, রাতে ঘুমটাও ভাল হলনা অনেক দিন পর ফজরের নামাজটাও কাজা হল
আমি ভুলে যাওয়ার আপ্রান চেস্টা করছি এক সময় ভূলেও গেলাম আবার আগের মতই সব ঠিক ঠাক চলছে,,,,,,,,,,,,,,, কয়েক মাস পর এবার আমার বন্ধুর বাড়িতে মাহফিল আমাকে দাওয়াত করল আর বল্লো আমার মা তোকে সাথে নিয়ে যেতে বলেছে, আমি জান্তামনা ওর মায়ের চাইতে ওর বোন আমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বেশি চাপ দিয়েছে,সেটা আমি বুঝেছি ওদের বাড়ি যাওয়ার পর, কিন্তু আমি তার পরেও ওর বোনের থেকে অনেক দুরত্ত বজায় রেখে আবার চলে এসেছি এখানে সেষ হলেও আরো ভাল হত।
কিন্তু তাও হলনা,,, আমি আমার বন্ধু এবং তার ফেমেলির কথা ভেবে ভুলেই রইলাম, আমার আর ভাল লাগেনা পড়া সোনায় তেমন মন আমার আর নেই সামনে বাৎসরিক পরিক্ষা তাই মন দিয়ে পড়ার চেস্টা করছি সেদিন ছিল শনিবার পরিক্ষা শুরু হলে আর বাড়ি যেতে পারবেনা বলে বন্ধু বৃহস্পতিবার বাড়ি গিয়ে ছিল আমাকে খুব করে বলেছিল কিন্তু আমি যাইনি ও একাই গিয়ে ছিল,তো আমার কাছে আসল এবং আমার পশে বসল আমি পড়া বন্ধ করলাম, আর বল্লাম কিরে মন খারাপ কেন?

উত্তরে বন্ধু বল্লো কি করেযে বলি, আমআম উমউম আমতা আমতা করছে কিন্তু বলছেনা আমি ধমক দিয়ে বল্লাম ভাল মানুষ বাড়ি গেলি তোর কি হল এসেই মন খারাপ,যা বল্লে বল আর না বল্লে নাবল এখন পরতে হবে, তখন বন্ধু বলছে,,,,,,,
আমরা দুই ভাই বোন একে অপরের বন্ধুর মত একে অপরের বিষয়ে খুবি ফ্রি তাই মুসকিল হইছে আমার বোন তার মনের কথা আমার কাছে বলেই খালাস আর আমি তার কথা শুধু বলে দেব তাও পারছিনা আমি বল্লাম এই তর কথা যাহাকে যা বলতে বলেছে তুই বলে দিলেই হোয়ে গেল আর যদি না পারিস আমাকে বল আমি বলে দেব কেমন
ও তখন বল্লো এখানেইতো বড় প্রবলেম আমার বোন একটা ছেলেকে তার জীবনের চাইতেও বেশি ভালোবেসে ফেলেছে তা কে না পেলে সে বাচবেনা আমি বল্লাম তাহলেতো বিষয়টা জটিল আগে ওকে বোঝাও তখন বন্ধুর চোখে পানি টলমল করছে দেখে আমারো ভিষন খারাপ লাগছে, আবার কথা গুলি সুনে ভিতরটাও


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন