মুক্তমত

পুরাতন পেনশনের পে-স্কেল বাড়ানো হোক

মুনমুন বড়ুয়া চৌধুরী : বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। এই দেশের বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে নিয়েছে নানান নব নব সৃজনী পদক্ষেপ। জনগণের কল্যাণ সাধনে রেখেছে ব্যাপন অবদান। অর্থমন্ত্রী ২০২৬-১৭ বাজেট বক্তৃতায় সর্বজনীন পেনশন ধারণা তহবিল গঠন সম্পর্কে পদক্ষেপ প্রশংসার দাবী রাখে।
সরকারি কর্মচারীদের পেনশন ব্যবস্থা সংস্কারের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। তাছাড়া, সরকারি চাকরির মতন স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাসমূহের চাকরিকে পেনশনযোগ্য করার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও বলেন, এতো বয়সে প্রবীণরা কোথায় হাত পাতবেন? সাধুবাদ জানাই অর্থমন্ত্রীর প্রবীণ চেতনাকে।
অর্থমন্ত্রণালয়ের ০৯/০১/১৭ ইং প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পেনশনারগণ গ্রস পেনশনের ৫০% বাধ্যতামূলক সমর্পন এবং অবশিষ্ট ৫০% নির্ধারিত হারে পেনশন হিসেবে নিজে বা অর্বতমানে পরিবার পেনশন হিসেবে পাবেন, যা ০১ জুলাই ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ থেকে কর্যকর হয়েছে।
বর্তমান সরকারি বেতনের নতুন পে স্কেলগুলো যা পূর্বের বেতন স্কেল হতে দ্বিগুণ। তাই প্রত্যেক পেনশনার অবসরভোগীরা এককালীন ও পেনশন হকে প্রাপ্ত অর্থ দ্বারা অবসরকালে স্বচ্ছল ও সম্মানজনক জীবন যাপনে সহায়ক হবে। উল্লেখ্য যে, যারা নতুন পে স্কেল এর অন্তভুক্ত নয় ২০০২ থেকে তারও আগের পেনশনারগণ শতকরা ৫% বৃদ্ধিতে, তারা কি আদৌ স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন কাটাতে পারছে? নতুন বেতন স্কেল ও পুরাতন বেতন স্কেলের পার্থক্য অনেক বেশি যা দ্বিগুণের অধিক হয়েছে । তাছাড়া দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের চিকিৎসার মধ্যে এই শতকরা ৫% বৃদ্ধি কখনও কারও জীবনকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে পারে না।
অবসরভোগী পেনশনাররা সমাজের অসংগঠিত একটি অংশ। তারা সরকারের ইতাবাচক সিদ্ধান্তের জন্য প্রার্থনা করে । মাননীয় অর্থমন্ত্রীর কাছে এই প্রার্থনা যে, পুরান স্কেলের অবসরভোগীগন যেনো তাদের অনাগামী জীবনকে সুন্দররুপে পূর্ণতা পেতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রেখে তাদের পেনশনের পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

 

জেড/আর


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন