মুক্তমতসাহিত্য

নীরবে লিখে যাচ্ছেন সেলিম মাহমুদ!

দেশ রির্পোট: লেখক, তিন অক্ষরের একটি শব্দ! শব্দটা আমরা বহুভাবে বহুবার ব্যবহার করে থাকি। এই একটি শব্দে যাদের পরিচয় নিহীত তার মনের মাঝে যে কত লক্ষ লক্ষ শব্দ খেলা করছে তার খবর কেইবা রাখে! একজন লেখকের কাছে তার প্রতিটি লেখা আপন সন্তানের মত। কোনটা কখনোই সে খাঁটো করে দেখেনা- তার আপন সন্তান যে! কোন লেখা লিখতে সময় লাগে ৫ মিনিট, কোনটা ঘণ্টা, কোনটা দিন, কোনটা মাস! আবার এমনও লেখা আছে যা তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়েও শেষ করতে পারেনা। এটি তার জন্য বড়ই কষ্টকর একটা অনুভূতি। লেখক যখন একটি লেখা লেখেন তিনি আত্মসন্তুষ্টি না পাওয়া পর্যন্ত তা শেষ করেন না, লেখার কোন জায়গায় কারও কাছে দেয়ার আগে তিনি নিজে তা যে কতশত বার পড়েন, পরিবর্তন পরিমার্জন করেন তারই বা খবর কে রাখে! একজন লেখকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হল যখন তার লেখা পাঠক সমাজে প্রকাশিত হয়। তেমনি একজন লেখকের কথা বলছি তিনি আর কেউ নয় সেলিম মাহমুদ। জন্ম নলচিড়া গ্রামে। বরিশাল জেলার গৌরনদী থানায়। ছোটবেলা থেকে ছিলো লিখার প্রতি প্রচন্ড রকম আগ্রহ। সেই থেকে নিজের প্রতিভার সবটুকু দিয়ে লিখে যাচ্ছেন লেখক সেলিম মাহমুদ। স্কুল জীবনে থেকে শুরু তার লেখালিখি। তা চলছে আজও অব্দি।

প্রথম লেখা উপন্যাস “এইতো জীবন” এবং “মনময়ূরী” প্রকাশিত হয় ২০০০ সালে। তারপর থেকেই নিয়মিত প্রকাশ হয়ে আসছে তার লেখা ছোটগল্প, উপন্যাস, বিজ্ঞান বিষয়ক ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের বই। সর্বশেষ ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয় উপন্যাস “চোখ যে মনের কথা বলে” এবং ছোট গল্প “কৃষকের বুদ্ধিমান ছেলে”। তার লেখা প্রথম খন্ড নাটক “বড় ভালো মানুষ” যে কোন বেসরকারী চ্যানেলে প্রচারের অপেক্ষায় আছে। নির্মাণাধীন আছে দু’টি খন্ড নাটক। তিনি বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত গীতিকার। তার লেখা উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে আছে-মনময়ূরী, তুমি শুধু আমার, আমার ভালবাসা, চোখ যে মনের কথা বলে, রঙ্গরসের গল্প, শ্রেষ্ঠ হাসির গল্প, ছোটদের কিসসা কাহিনী, কৃষকের বুদ্ধিমান ছেলে, জানা অজানা, ছোটদের মজার গল্প, রাজা-রাণীর গল্প ইত্যাদি। তার যেকোন লেখা যখন কোন গণমাধ্যম কিংবা প্রকাশনী কর্তৃক প্রকাশিত হয় তার মনে হাজারও শঙ্কা কাজ করে, পাঠকদের কেমন লাগবে? তারা গ্রহণ করবে তো? আবার মনে একটা স্বপ্নেরও জন্ম নেয় দিবালোকে তিনি জেগে স্বপ্ন দেখেন সকলের বাহবা পাচ্ছি, দু চারটে পুরুস্কার, অধিক পাঠক লেখা পড়ছে বা বই কিনছে ইত্যাদি হাজার রঙের স্বপ্ন। বিশ্বাস করুন ঠিক সেই সময়টা সে কখনো অর্থ প্রাপ্তির কথা চিন্তা করেন না। কখনো লোভ করেন না কিন্তু স্বপ্ন দেখেন!

তার লেখার মাধ্যমে তিনি সমাজ তথা এ দেশের মানুষের জন্য ভাল কিছু করে যেতে চান। তার লেখা গল্প, উপন্যাস এবং নাটকে সমাজের কথা বলে, দেশের কথা বলে। দেশের মানুষের কথা বলে। তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী। তার লিখা দিয়ে সমাজকে এগিয়ে নিতে চান সব সময়।

 

 

জেড/আর


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন