জাতীয়প্রধান সংবাদপ্রবাসসারাবিশ্ব

কম্বোডিয়ার শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন প্রধানমন্ত্রীর

কম্বোডিয়ার স্বাধীনতা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে সেদেশের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সফরের প্রথম দিন রোববার বিকেলে দেশটির স্বাধীনতা স্মৃতিসৌধে যান প্রধানমন্ত্রী। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর গভীর শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে সেখানে কিছু সময় নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীকে তিন বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার প্রদান করে এবং এ সময় বিউগলে বেজে উঠে করুণ সুর। খবর বাসসের

১৯৫৩ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের স্মারক হিসেবে ১৯৫৮ সালে কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে এই স্বাধীনতা স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়। এর নকশা প্রণয়ন করেন দেশটির স্থপতি ভ্যান মলিভান।

এরপর প্রধানমন্ত্রী কম্বোডিয়ার রাজা নরোদম সিহানুকের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে প্রয়াত রাজার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর একটি দল প্রধানমন্ত্রীকে এসময় গার্ড অব অনার প্রদর্শন করে।

এ সময় বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহেনা ও প্রধানমন্ত্রীর অন্যান্য সফর সঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনা এরপর তুল সেলং জেনোসাইড মিউজিয়াম পরিদর্শন করেন। নমপেনের কেন্দ্রস্থলে এ জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘুরে দেখেন শেখ রেহানা। সেখানে তারা খেমার রুজ শাসনের নৃশংসতার সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ করেন। জাদুঘরের পরিচালক চিহে ভিসথ তাদেরকে বিভিন্ন বিষয়ে ব্রিফ করেন।

কম্বোডিয়ার স্বাধীনতা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে সেদেশের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সফরের প্রথম দিন রোববার বিকেলে দেশটির স্বাধীনতা স্মৃতিসৌধে যান প্রধানমন্ত্রী। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর গভীর শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে সেখানে কিছু সময় নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীকে তিন বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার প্রদান করে এবং এ সময় বিউগলে বেজে উঠে করুণ সুর। খবর বাসসের

১৯৫৩ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের স্মারক হিসেবে ১৯৫৮ সালে কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে এই স্বাধীনতা স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়। এর নকশা প্রণয়ন করেন দেশটির স্থপতি ভ্যান মলিভান।

এরপর প্রধানমন্ত্রী কম্বোডিয়ার রাজা নরোদম সিহানুকের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে প্রয়াত রাজার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর একটি দল প্রধানমন্ত্রীকে এসময় গার্ড অব অনার প্রদর্শন করে।

এ সময় বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহেনা ও প্রধানমন্ত্রীর অন্যান্য সফর সঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনা এরপর তুল সেলং জেনোসাইড মিউজিয়াম পরিদর্শন করেন। নমপেনের কেন্দ্রস্থলে এ জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘুরে দেখেন শেখ রেহানা। সেখানে তারা খেমার রুজ শাসনের নৃশংসতার সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ করেন। জাদুঘরের পরিচালক চিহে ভিসথ তাদেরকে বিভিন্ন বিষয়ে ব্রিফ করেন।

 


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন