বিনোদন

নির্মিত হল স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বিভাজন’

নির্মিত হল স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বিভাজন’। হরিপদ দত্ত এর গল্প অবলম্বনে এটি চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন হুমায়ুন রশীদ সম্রাট। এখানে অভিনয় করেছেন চমক তারা, মরু ভাস্কর, রোমিও, হুসনে মোবারক রুমি, রেজাউল ইসলাম প্রমুখ। প্রযোজনায় টার্টল ফিল্মস্ বাংলাদেশ। নির্বাহী প্রযোজক আহম্মেদ সাব্বির। দীর্ঘদিন হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে মরণের কাছে পরাজয় মানে মাহবুব। তার সেই লাশ নিয়ে আন্তঃজেলা প্রশস্ত সড়ক ধরে মাহবুবের স্ত্রী রোমানা এবং ছোট ভোই আফজাল গ্রামের বাড়ির পথে যাচ্ছে। অন্ধকার বর্ণের রাত, যখন লাশ গাড়িটি ছুটে চলছে, তখন মনে হয় লাশ গাড়িটি একটি জলযান।

জলযানটি মহাশুন্যের কৃষ্ণগহ্বরের দিকে ছুটে চলছে। কেবল গাড়ির স্বচ্ছ হেড লাইট এই অন্তহীন অন্ধকারে ঠান্ডা আলো জ্বেলে ভয়ার্ত খরগোশের মতই ধাবমান। এম্বুলেন্সের কফিনে মাহবুবের লাশ। তার পাশে বসে আছে আফজাল এবং স্ত্রী রোমানা। স্বামীর লাশ সামনে নিয়ে রোমানার ভেতরে চলে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব। মৃত্যুর আগে স্বামীর নির্দেশ দেবরকে বিয়ে করতে হবে। শ্বশুরের আবদার দেবরকে বিয়ে করতে হবে। রোমানার মনের বিরুদ্ধে জোর করে দেবরের সাথেই বিয়ে হবে এই সদ্য বিধবা স্ত্রীর।

হঠাৎ সশস্ত্র ডাকাত দল আক্রমন করে লাশবাহী গাড়িতে, কেড়ে নেয় নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার, সব ব্যাগ এমনকি রোমানার স্বামীর ডেথ সার্টিফিকেট। সেই সাথে রোমানাকেও ধর্ষণ করে। এমন অবস্থায় দেবর ভয়ে নির্বাক হয়ে থাকে। একটু আগেও যে পুরুষ রোমানাকে বিয়ের জন্য উদগ্রীব ছিল, সেও ডাকাতের ভয়ে রোমানাকে উদ্ধার করতে পারেনি। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে রোমানার কেবলই মনে হয়- “তার স্বামী, শ্বশুর, দেবর আর ডাকাতদের মাঝে কোন পার্থক্যই নাই। অবশেষে তারা লাশবাহী গাড়ি নিয়ে ছুটে চলে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে।

 

জি/সু

 


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন