খেলা

‘ফেভারিট’ ফ্রান্সের সামনে ‘পুঁচকে’ অস্ট্রেলিয়া

ফ্রান্সের স্বর্ণযুগ এই মনে হয় ফিরে এলো। ২০০৬ সালে জিদান-হেনরির সময়ে ফ্রান্স খেলেছিল ফাইনালে। তবে তার পরের দুই বিশ্বকাপে সমর্থকরা সেইরকম কোনো সাফল্য দেখেনি ফ্রান্স দল থেকে। ২০১০ সালে গ্রুপপর্ব ও ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে বিদায় নেয় তারা। তবে ফ্রান্সের সেই স্বর্ণযুগে ফিরে যাওয়া ও সেরা সাফল্য পাওয়ার এখনই সময়। কেননা, দলটি যে পুরোপুরি প্রস্তুত যে কোনো দলকে টক্কর দিতে। অনেক বিশেষজ্ঞ তো ধরেই নিয়েছেন এবারের বিশ্বকাপে শীর্ষ চারে উঠছে ফ্রান্স। রাশিয়া বিশ্বকাপে আগামীকাল ‘ফেভারিট’ ফ্রান্সের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ‘আন্ডারডগ’ তকমা পাওয়া অস্ট্রেলিয়া।

ফ্রান্স দলের কে ফর্মে নেই- তা হয়তো খুঁজে পেতে হলে চুলচেরা বিশ্নেষণ করতে হবে। দলে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে গোলকিপার হূগো লরিস বা স্টিভ মানদান্দার মতো যেমন খেলোয়াড় আছেন, তেমনি আক্রমণভাগে আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, আন্তোনিও গ্রিজম্যান, থমাস লেমার ও ওসমানে ডেম্বেলের মতো সব তারকা খেলোয়াড়। মাঝমাঠে ফরাসিদের ভরসা পল পগবা ও এনগোলো কান্তের ওপর। রাফায়েল ভারানে, স্যামুয়েল উমতিতি ও সিদিবেতেই রক্ষণভাগের আস্থা ‘লেস ব্লেয়াস’দের। ফিফা র‌্যাংকিংয়ের সপ্তম স্থানের দলটি ভালো কিছু করে দেখাতে তাই বেশিই উদগ্রীব।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া দলকে বরাবরের মতোই ভাবা হচ্ছে আন্ডারডগ। টিম কাহিলের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড় দলে থাকলেও ভরসা নেই অন্য খেলোয়াড়দের ওপর। কাহিলের সামনে অবশ্য রয়েছে রেকর্ড গড়ার হাতছানি। কিংবদন্তি ফুটবলার পেলে, উয়ে সিলার ও মিরোস্লাভ ক্লোসার মতো পরপর চার বিশ্বকাপে গোল করে রেকর্ড গড়তে পারেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণভাগে তার সঙ্গে আছে টন রজিক ও টমি জুরিচ। গোলকিপার ম্যাট রিয়ানের সঙ্গে রক্ষণভাগে আছেন মার্ক মিল্লিগান, ট্রেন্ট সেইন্সবারি, আজিজ বেহিচ ও জসুয়া রিসডন। কোচ বার্ট ফন মারউইক অবশ্য তার দলের পরিশ্রম ও ভালো খেলা নিয়ে খুব আশাবাদী।

এ পর্যন্ত ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখি হয়েছে মোট চারবার। দু’বার ফ্রান্স, একবার অস্ট্রেলিয়া ও একটি ম্যাচে ড্র করেছে তারা। পঞ্চমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ার বড় অর্জন ২০০৬ সালে সেরা ষোলোতে ওঠা। আর বাকি তিনটি বিশ্বকাপেই গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল তারা।


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন