লাইফষ্টাইল

কলাতেই রয়েছে সুগার আর ওজন নিয়ন্ত্রণের যাদুমন্ত্র!

কলা খেতে বড্ড ভয়? আশঙ্কা মোটা হয়ে যাবেন, একলাফে বেড়ে যাবে ব্লাড সুগার? ভয়কে দূরে পাঠান। কারণ, গবেষণা বলছে, কলাতেই রয়েছে সুগার আর ওজন নিয়ন্ত্রণের যাদুমন্ত্র। এখানেই শেষ নয়, কোলন ক্যানসার, হার্টের রোগের আশঙ্কাও কমায় কলা। কলার প্রতিটা কামড়ে রয়েছে ম্যাজিক। খাদ্যগুণে যে কোনও দামী ফলকে অনেকশ’ মাইল পিছনে ফেলবে কলা। ফাইবার, অ্যান্টি অক্সিড্যান্টে ভরপুর এই ফলে ফ্যাট নেই বললেই হয়। কাঁচা কলা সম্বৃদ্ধ পেকটিন আর রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চে।

ফিটনেস ওয়ান্ডার
কলায় রয়েছে শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু ‘স্লিম উপাদান’। অর্থাৎ, কলার প্রোটিন শরীরকে ঠিক রাখে এবং পেটকে অনেকক্ষণ ভরা রাখে। তাছাড়া রক্তে চিনির মাত্রাও স্থিতিশীল রাখে। এর ফলে শরীরে মিনারেল এবং অন্যান্য উপাদান ঠিকমতো কাজ করতে পারে।

পেশীর জন্য ম্যাগনেশিয়াম
কলায় থাকা মিনারেল উপাদান ‘ম্যাগনেশিয়াম’ যা শরীরের পেশীকে প্রসারিত করে আর পাশাপাশি বিপাক ক্রিয়াকে সক্রিয় করে তোলে। এর ফলে অতিরিক্ত ওজনের মানুষ শারীরিকভাবে ভালো বোধ করেন।

মন ভালো করা হরমোন
মন ভালো করা হরমোন ‘সেরোটোনিন’-কে ভালো থাকতে সহায়তা করে কলায় থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড, যা ডায়েটিংয়ের সময়টুকুর জন্য খুবই জরুরি ৷ কারণ, সেসময় কম খাওয়ার কারণে মানুষের মেজাজ খারাপ থাকে। কিন্তু কলা তা হতে দেয় না। তাছাড়া কলা খেলে ভালো ঘুম হয় আর ঘুমের সময় শরীরের চর্বি ক্ষয়ের ক্ষমতা বেড়ে যায়। ফলে ওজন কমানো সহজ হয়।

পটাশিয়াম পেট কমায়
ফাঁপা বা অতিরিক্ত ফোলা পেটের জন্য কলা খুবই উপকারী। কারণ, কলায় থাকা পটাশিয়াম কোষের ভারসাম্য রক্ষা করে শরীরের তরল পদার্থকে নিয়ন্ত্রণ করে। তাছাড়া কলা একটু কাঁচা অবস্থায় খেলে তা পেটের গ্যাসকে দূরে ঠেলে দিতে সাহায্য করে। এর ফলে পেটের অতিরিক্ত ফোলা বা ফাঁপাভাব কমতে পারে।

শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের করে
কলায় রয়েছে পেকটিন পদার্থ, যা আঁশযুক্ত খাবারের সাথে মিশে হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং তা মলত্যাগের মাধ্যমে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বা ডিটক্সিন বের করতে সহায়তা করে।

অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি কলা
ডায়েটিংয়ের সময় হালকা খাবার- যেমন মুরগীর মাংস, ছানা, দই, বাদাম, অল্প ভাত, গাজর, ব্রকোলি খাওয়া উচিত। আর এসবের পাশাপাশি প্রতিবেলায় একটি করে কলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা।

খোসাও খাওয়া যাবে
জাপানের বিজ্ঞানীরা এক নতুন জাতের কলা বের করেছেন, যেগুলো খোসাসহ খাওয়া যাবে। সেই কলার নাম মন্গি। এই কলার খোসা নরম ও খুব পাতলা আর মিষ্টি, যা সহজেই খাওয়া যায়। তবে স্বাদ কিছুটা আনারসের মতো। এই বিশেষ ধরনের কলার খোসায় রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, আঁশ এবং মিনারেল, যা ডায়েটিংয়ের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত।

 

 

দেশরির্পোট/এএস


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন