আজব দুনিয়া

৪০ বছরের ছোট এক তরুণীর সঙ্গে যৌন সঙ্গমের সময় মৃত্যু ‘সফল প্রেমিকের’

মারিজিও জফান্তি। ‘রোমিও অফ রিমিনি’ হিসেবে পরিচিত তিনি। ইতালির সবচেয়ে সফল এই ব্যক্তি প্রেম করেছেন প্রায় ছয় হাজার নারীর সঙ্গে। সবার সঙ্গেই শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো নিজের থেকে ৪০ বছরের ছোট এক তরুণীর সঙ্গে যৌন সঙ্গমের সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এই প্রেমকুমার।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘মেট্রো’ তাদের একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অলিভ ত্বকের আকর্ষণীয় দীর্ঘ চুলের দীর্ঘদেহী মারিজিও জফান্তি পছন্দ করতেন তার আশে পাশে থাকা নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে। তাদের সঙ্গে নাইটক্লাবে যেতে। এমন করেই তাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়াতেন তিনি।

ইতালির সবচেয়ে জনপ্রিয় প্লেবয়খ্যাত ৬৩ বছর বয়সী মারিজিও সম্প্রতি ইতালিতে ঘুরতে আসা এক নারী পর্যটকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়েন। ২৩ বছর বয়সী ওই পর্যটকের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সময় কাটানোর সময় হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। পরে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ডেইলি মেইল আরও জানিয়েছে, ওই ইউরোপিয়ান তরুণীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার নাইটক্লাব থেকে ইতালির রিমিনি শহরের প্রডেলা এলাকার নিজ বাড়িতে তাকে নিয়ে যান মরিজিও। এক পর্যায়ে তারা যৌনসম্পর্কে জড়ান। হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন মারিজিও। তার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে আশঙ্কা করে জরুরি নম্বরে ফোন করেন তিনি। পরে অ্যাম্বুলেন্স এসে মারিজিওকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু চেষ্টা করেও তারা মারিজিওকে বাঁচাতে পারেননি।

মারিজিও ১৯৭০ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে একটি নাইটক্লাবে কাজ করতে শুরু করেন। সে সময় তার কাজ ছিল, রাস্তায় যাতায়াত করছে এমন নারীদের সঙ্গে কথাবার্তা-আলাপ আলোচনা বাড়িয়ে তাদের নাইটক্লাবে আসার জন্য রাজি করানো। ১৯৮৬ সালে ইতালির এল স্প্রেসো নামে এক সংবাদপত্রে লেখা হয়, তিনি ইতালির সবচেয়ে সফল প্রেমিক।

ইতালির সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মারিজিও জফান্তি এভাবেই মৃত্যুবরণ করতে চেয়েছিলেন। বাস্তবেও তাই হলো।


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন