বিনোদন

শোয়েব চৌধুরীকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মান করবেন টাইটানিক নির্মাতা জেমস ক্যামরন!

প্রায় বার বছর থেমে থাকার পর শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিক সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধূরীকে নিয়ে চলচ্চিত্রটির শ্যুটিং চলতি বছর ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এটির চিত্রনাট্য লিখেছেন যশুয়া গ্রোস। ছবির নাম ‘ষ্টোরি অফ এ জেথ্রো’। এটিতে শোয়েব চৌধুরীর ভুমিকায় অভিনয় করবেন ব্রেড পিট। ছবিটি পরিচালনা করবেন দ্য এবিস, টার্মিনেটার-২, জাজমেন্ট ডে, ট্রূ লাইস এবং টাইটানিক ছবির পরিচালক জেমস ক্যামেরন।ইতিপূর্বে ক্যামেরন টাইটানিক ছবিটির জন্য ১৯৯৭ সালে একাডেমী পুরষ্কার লাভ করেন।

ষ্টোরি অফ এ জেথ্রো ছবিটি সম্পর্কে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইষ্টলেইক প্রোডাকশন্স এর নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট স্ট্যাসী গ্রীন বলেন, “২০০৭ সাল থেকেই এটির চিত্রনাট্য তৈরীর কাজ শুরু হলেও মাঝখানে বেশ অনেকগুলো বছর প্রকল্পটা থমকে যায়। এরপর যাকে নিয়ে ছবিটি তৈরী হচ্ছে তিনি ২০১২ সাল থেকে টানা ছয় বছর কারাগারে আটক ছিলেন। তখন আমরাই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এই ছবিতে ওই কারাবরনের ঘটনাগুলোয় সন্নিবেশিত হওয়া দরকার। একারণেই আমরা অপেক্ষা করেছি। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চিত্রনাট্যটি চুড়ান্ত হয়ে যাবে। ইতিমধ্যেই আমরা ষ্টোরি অফ এ জেথ্রো এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে, মানে শোয়েব চৌধুরীর ভূমিকায় ব্রেড পিটকে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এবার অন্যান্য চরিত্রগুলো চুড়ান্ত করা হচ্ছে। আমাদের কোম্পানীর পক্ষ থেকে ওনার (শোয়েব চৌধুরীর) সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং বিভিন্ন চরিত্রের ক্ষেত্রে তাঁর মতামতও নিচ্ছি আমরা। এই ছবির আরেক মূল চরিত্র যেটি শোয়েব চৌধুরীর স্ত্রী’র, সেটি এখন চুড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। আমরা বেশ ক’জন অভিনেত্রীর নাম বিবেচনায় রেখেছি।

স্ট্যাসী গ্রীন আরো বলেন, শোয়েব চৌধুরীর জীবনের অনেক বিষয়ই হয়তো অনেকেই জানেন না। এজন্যেই ওরা হয়তো ভাববে এটা বায়োপিক। হ্যা, এটা বায়োপিকের আদলে মূলত একটা দুর্ধর্ষ একশন থ্রিলার, যা ইতিপূর্বেকার অনেক একশন থ্রিলারকেই ছাড়িয়ে যাবে। আমরা বাস্তব ঘটনার সাথে কাল্পনিক অনেক কিছুই রাখছি ওই ছবিতে। একারণেই হয়তো কখনো মনে হতে পারে আপনি আরেকটা জেমস বন্ড দেখছেন।

তিনি বলেন, শোয়েব চৌধুরীর জীবনটাই একটা থ্রিইলার। গভীর রহস্যে ঢাকা। হয়তো সবকিছু আমরা ওই ছবিতে দেখাবোও না। কারণ, ওনার (শোয়েব চৌধুরীর) পক্ষ থেকে কিছু সর্ত দেয়া আছে আগে থেকেই।

ষ্টোরি অফ এ জেথ্রো ছবিটি সম্পর্কে হলিউডের আরেক প্রযোজক কিম জোসেফিন বলেন, শোয়েব চৌধুরীকে নিয়ে এর আগেও একটা প্রামান্যচিত্র তৈরী হয়েছিলো। তিনি নিজেও তো হলিউডের প্রামান্যচিত্র ‘আমেরিকা এট রিস্ক’ এ কাজ করেছেন। এখানে অনেকেই তাঁকে চেনে এবং ভালোবাসে। আমি তো চাই, আমার ভাইকে নিয়ে যে ছবিটি তৈরী হচ্ছে সেটা আলোড়ন তুলুক। আমরা বিশ্বকে দেখিয়ে দিতে চাই, উগ্র ইসলাম এবং ধর্মীয় উগ্রবাদের বিরুদ্ধে নিজের জীবন বাজী রেখে সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী যে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বছরের-পর-বছর, সে যুদ্ধে তিনি একা নন। আমরা সবাই–তাঁর লাখ-লাখ ভক্ত আছি শোয়েব চৌধুরীর পাশে।
আমেরিকান জ্যুয়িশ কমিটির প্রেসিডেন্ট ডেভিড হ্যারিস ষ্টোরি অফ এ জেথ্রো ছবিটি সম্পর্কে বলেন, কেউ স্বীকার করুক আর না করুক, শোয়েব চৌধুরী একজন সত্যিকারের হিরো। আমাদের সবার কাছে। গোটা পৃথিবীজুড়ে তাঁর অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী আছে। একারণেই ২০০৭ সালে আমরা তাঁকে আমাদের সংগঠনের ‘মোরাল কারেজ এ্যাওয়ার্ড’ দিয়েছি। এ পুরষ্কার পাওয়া সহজ বিষয় নয়। ওই পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশ, সেক্রেটারী অফ ষ্টেট কন্ডোলিসা রাইস, জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনান, জার্মান চ্যান্সেলর এঙ্গেলা মার্কেল, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, ইসরারেলী প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানইয়াহুসহ বিশ্বের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। ধর্মীয় উগ্রবাদের বিরুদ্ধে কাজ করতে যেয়ে আমাদের সকলের প্রিয় ভাই শোয়েব কতোটা ঝুঁকি নিচ্ছে সেটা অনেকের পক্ষেই কল্পনা করাও কষ্টকর। একারণেই আমি মনে করি ষ্টোরি অফ এ জেথ্রো ছবিটি নির্মিত হওয়ার প্রয়োজন আছে, যাতে বিশ্ববাসী জানতে পারে একজন বীরের গল্প। এটির আগামী প্রজন্মের জন্যে হয়ে থাকবে এক অমূল্য দৃষ্টান্ত–উদ্দীপনার উৎস।

ছবিটির দৃশ্যায়ন কি বাংলাদেশেই হচ্ছে, এ প্রশ্নের জবাবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের আরেক কর্মকর্তা বলেন, “ এ বিষয়টা আমরা এখনি বলতে চাচ্ছিনা না। তবে নিরাপত্তার কথা আমাদের ভাবতে হচ্ছে। যাই হোক, দর্শকরা যা দেখতে চাইছেন সেটা থাকবে ওই ছবিতে”।

ষ্টোরি অফ এ জেথ্রো ছবি সম্পর্কে সবচেয়ে বেশী উচ্ছ্বসিত নন্দিত নির্মাতা রোমান পোলান্সকি। তিনি বলেন, “শোয়েব আমার ভাই। আমরা এক মায়ের গর্ভে জন্মাইনি এটা সত্যি, কিন্তু সে আমার ভাই। আমি তো ওর বহুমাত্রিক প্রতিভার সবচেয়ে বড় ফ্যান। দেখুন একজন মানুষ এক জীবনে এতোগুলো মেধা নিয়ে জন্মায় খুবই কম। ও বড় মাপের সাংবাদিক, সম্পাদক, লেখক, গল্পকার, চিত্রনাট্যকার, নির্মাতা, গীতিকার, সুরকার এবং সঙ্গীত পরিচালক। আমাকেই বলুন, তাঁর সমসাময়িক এমন আরেকটা প্রতিভার নাম। নির্মাতা হিসেবে আমি ওঁর সম্পর্কে দেখেছি– জেনেছি। আমি তো বলবো, ও যদি আর কিছু না হয়ে শুধু চলচ্চিত্র নির্মাতা হতো তাহলে বিশ্ব কাঁপিয়ে দিতো। অসাধারণ তাঁর কল্পনা শক্তি। অদ্ভুত তাঁর সৃজনশীলতা”।

তিনি বলেন, “শোয়েব চৌধুরী একজন সুরকার বা সুর স্রষ্টা হিসেবে কতোটা বড় মাপের তা হয়তো সাধারণ কারো পক্ষে বোঝাই অসম্ভব। একজন সুরকার শোয়েব চৌধুরীকে বুঝতে হলে সঙ্গীতের ওপর ব্যাপক জ্ঞান থাকতে হবে। আমি বাংলা ভাষা বুঝিনা ঠিক, কিন্তু আমি শোয়েবের সুরের মন্ত্র বুঝি। ওঁর সুরে একটা মায়াবী জালের অস্তিত্ব আছে যা মানুষকে তাড়িত করতে বাধ্য। যদি আমার কোনও সিনেমায় দক্ষিন এশীয় সুরের প্রয়োজন হয়, তাহলে আমি কিন্তু ভারতে খুজবোনা–পাকিস্তানেও না–আমি সরাসরি আমার ভাইকেই ডাকবো”।

হলিউডে শোয়েব চৌধুরীর গল্প নিয়ে তোলপাড়

কারাগারে বসেই শোয়েব চৌধুরী একটা সায়েন্স সুপার ফিকশন লিখেছেন যেটি এখন হলিউডের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের হাতে। গল্পটির নাম ‘ক্লোবর্গ’। এ গল্পের বিষয় নিয়ে মুখ খুলছে না প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। শুধু বলছে, এটি অন্য যেকোন সায়েন্স ফিকশন, এমনকি একশন থ্রিলারকেও পেছনে ফেলে দেবে। এই গল্প নিয়ে তৈরী হচ্ছে টেলিভিশন ম্যাগা সিরিয়াল। আর এটির মাধ্যমে কোনও বাংলাদেশী লেখকের প্রবেশ ঘটতে যাচ্ছে হলিউডে। ক্লোবর্গ গল্পের লেখক শোয়েব চৌধুরী সম্পর্কে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সনি জানায়, তারা এরই মাঝে শোয়েব চৌধুরীর পরবর্তী যেকোন গল্প অগ্রাধিকার ভিক্তিতে দেখার স্বত্ব চেয়েছে। এজন্য তারা মোটা অংকের সম্মানীও দিতে প্রস্তুত। কারণ ওরা মনে করে, এই লেখকের মাথায় এমন কিছু আইডিয়া আছে যা অন্য অনেকের মাঝেই নেই।

আমি তাঁর প্রেমে পড়ে যাবো হয়তো

সবচেয়ে অবাক করে দিলেন এ সময়ে হলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী টেলর সুইফট। আমি ফোন করে যখনই বললাম বাংলাদেশের গীতিকার-সুরকার শোয়েব চৌধুরী’র যে গানটা আপনি … ব্যস এটুকু বলতে না বলতেই তিনি সজোরে হেসে বললেন, “ইয়েস, হি ইজ এ ম্যাজিশিয়ান অফ মিউজিক (হ্যাঁ, তিনি সঙ্গীতের যাদুকর)”। এনাদার গড অফ ম্যাসমেরিক টিউন (সুরের মায়াজালের আরেক ঈশ্বর)।

টেলর সুইফট আরো বললেন,আমি অনেক গানই তো গাইছি। কিন্তু এবার এমন একজন মানুষের লেখা ও সুর করা গান গাইছি যার মাতৃভাষা ইংরেজী নয়। যিনি ওয়েস্টার্ন মিউজিক নিয়ে পড়াশোনাও করেননি। অথচ তাঁর গানের কথা এবং সুর আমাকে বারবার ধাঁধাঁয় ফেলে দিচ্ছে। আমি ভুলেই যাচ্ছি তিনি আমাদেরই একজন নন। গায়ক যখন তার মনের মতো একটা গান পায় – সুর পায়, তখন সে ওই গীতিকার-সুরকারের প্রেমে পড়ে যায়। আমি ওনার এজেন্টকে (শোয়েব চৌধুরী গল্প এবং গান আমেরিকায় প্রমোট করার এজেন্ট) বলেছি, গানটা আমি তো গাইবোই, আমি ওই মানুষটাকে দেখতে চাই – ভিডিও কলে নয়, সামনাসামনি। কারণ আমি হয়তো প্রেমেই পড়ে যাচ্ছি। সেটা ভাই-বোনের প্রেমও তো হতে পারে। তাই না? প্রয়োজনে আমি বাংলাদেশেই যাবো। আমি খানিক পাগলাটে প্রকৃতির। কেনো যেনো মনে হলো তিনিও তা-ই। দেখিনা দুই পাগলের সম্মিলনে আরো নতুন কিছু – আরো অনেক কিছু করা যায় কিনা”।

কী বলছেন শোয়েব চৌধুরী

যে মানুষটাকে নিয়ে খোদ স্বপ্নের হলিউডে হইচই, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এবিসি রেডিও ৯৩.২ কে রোববার (মার্চ ১০) দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বললেন, “আমি বাকরুদ্ধ। আসলে কিছু সময় আছে যখন ভাষারা হারিয়ে যায়। আমি ওদের (হলিউড) ভালোবাসায় আপ্লূত–প্লাবিত। এরচেয়ে বেশী কিছু চাইনি কখনো। ভালোবাসাই চেয়েছি আজীবন – এখনও চাই। ওরা আমায় সম্মান দিয়েছেন, ভালোবাসা দিয়েছেন, এ ঋণ শোধ করবো কীভাবে? আমার দেশ, আমার ভাষায় যারা কথা বলে,ওরা তো এতোটা ভালোবাসা-সম্মান দেয়নি কখনো। আপনাদের সাথে যখন কথা বলছি, তখনও আমার দু-চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে। এ অশ্রু ভালোবাসার–এ অশ্রু কৃতজ্ঞতার”।

এবিসির জোনাথন জানতে চাইলেন যারা বাংলায় কথা বলেন, ওরা কেনো এখনও তাঁর (শোয়েব চৌধুরীর)সঙ্গীতের যথার্থ মূল্যায়ন করছেনা। এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন, “আমি জানি ওরা কি জানেনা, ওরা জানেনা ওরা কি জানেনা। একারণেই ওরা হয়তো আমার গান পছন্দ করেনা কিংবা আমার কাঙ্ক্ষিত সম্মানটাও দিতে চায় না। শ্রোতাদের প্রতি আমার কোনও অভিযোগ নেই। আমার অভিমান ওই শিল্পীদের প্রতি যারা আমাদেরকে ওদের ভক্তের কাতারে ভেবে মিথ্যে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছে। আমরা তো শিল্পী নই – আমরা স্রষ্টা। স্রস্টাকে যদি সৃষ্টির সাথে মিলিয়ে ফেলা হয় তাহলে ভীষণ সমস্যা”।

কোন ধরণের শিল্পী তাঁর পছন্দ, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যার অন্তরে সাম্প্রদায়িকতার বিষ নেই। যে মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখে, ধর্ম নামের কাঁচের দেয়াল থেকে মানুষকে দেখে না। আমার ব্যক্তিগত ধর্মীয় বিষয়টা যদি বারবার সামনে নিয়ে আসি – বারবার বোঝাতে চাই আমি একটা নির্দিষ্ট ধর্মকেই মহান ভাবি,তাহলে তো বিরাট সমস্যা। আজীবন ওই ধর্মান্ধগুলোকে এড়িয়ে চলছি। সঙ্গীতের ক্ষেত্রেও এটাই করবো। আমার সঙ্গীতের স্বাধীন সাম্রাজ্যে ধর্মান্ধদের কোনও স্থান নেই। আগেও ছিলোনা – আগামীতেও থাকবেনা। একজন ধর্মান্ধ যদি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শিল্পীও হয়, আমার গান স্পর্শ করার সামান্যতম অধিকারও তার নেই”।

জোনাথন প্রশ্ন করলেন, একজন গীতিকার শোয়েব চৌধুরীকে কে বেশী প্রভাবান্বিত করেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি লালন ফকির। উত্তরে তিনি বললেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রেমের কবি, বিত্তবান সমাজের প্রতিনিধি। আর লালন হলেন ভাবের সাধক, সাধারণ মানুষেরই একজন । যদিও আমি নিজে জমিদার পরিবারের সন্তান, কিন্তু আমায় একজন বিত্তবানে’র কবি আকৃষ্ট করেন না। কারণ, আমার ভেতরে কোনও জমিদারী ভাব নেই। আমার ভেতরে যার বসত, সে খাঁটি বাউল। তাছাড়া আমার পূর্ব পুরুষরা জমিদার হলেও স্বভাবে ছিলেন বাউল। সব মিলিয়ে আমার আদর্শ, আমার অনুপ্রেরণা হলেন লালন ফকির। আমি সাধারণ মানুষের জন্য গান লিখি, আমি ভাবের মানুষদের জন্য সুর সৃষ্টি করি–বিত্তবানদের জন্যে নয়”।


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন