বিনোদন

হারানোর দুই বছর

২০১৭ সালের এই দিনে না ফেরার পথে চলে যান চলচ্চিত্রের শক্তিমান অভিনেতা মিজু আহমেদ। আজ এই কিংবদন্তী অভিনেতার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।

২০১৭ সালের ২৭ মার্চ ছবির কাজে দিনাজপুর যাচ্ছিলেন ট্রেনে করে। হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সেখানে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যাকালিন বয়স ছিল ৬২ বছর।

মিজু আহমেদের জন্ম ১৯৫৪ সালের ১৭ই নভেম্বর কুষ্টিয়ায়। স্ত্রী পারভীন আহমেদ, দুই মেয়ে কেয়া ও মৌ এবং ছেলে হারশাতকে নিয়ে ছিলো তার পরিবার।

১৯৭৮ সালে ‘তৃষ্ণা’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে নাম লেখান মিজু আহমেদ। শৈশব থেকেই অভিনয় ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এই বড় পর্দার অভিনেতা। এছাড়া তিনি তার নিজের চলচ্চিত্র প্রযোজনা সংস্থা ফ্রেন্ডস মুভিজের ব্যানারে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন।

মিজু অভিনীত ছবিগুলোর মধ্যে  রয়েছে তৃষ্ণা (১৯৭৮), মহানগর (১৯৮১), সারেন্ডার (১৯৮৭), চাকর (১৯৯২), সোলেমান ডাঙ্গা (১৯৯২), ত্যাগ (১৯৯৩), বশিরা (১৯৯৬), আজকের সন্ত্রাসী (১৯৯৬), হাঙ্গর নদী গ্রেনেড (১৯৯৭), কুলি (১৯৯৭), লাঠি (১৯৯৯), লাল বাদশা (১৯৯৯), গুন্ডা নাম্বার ওয়ান (২০০০), ঝড় (২০০০), কষ্ট (২০০০), ওদের ধর (২০০২), ইতিহাস (২০০২), ভাইয়া (২০০২), হিংসা প্রতিহিংসা (২০০৩), বিগ বস (২০০৩), আজকের সমাজ (২০০৪), মহিলা হোস্টেল (২০০৪), ভন্ড ওঁঝা (২০০৬) ইত্যাদি।

কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ত্রাস’ ছবিতে অভিনয় করে মিজু আহমেদ সেরা অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছিলেন। ‘তৃঞ্চা’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি সেরা পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

অভিনেতা-প্রযোজক নয়, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সভাপতি ছিলেন মিজু আহমেদ। তার অভিনীত সর্বশেষ ছবি ‘পাষাণ’। ২০১৮ সালের ২৩ মার্চ ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল।


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন