বিনোদন

‘টেলি সামাদ ছিলেন কালজয়ী অভিনয় শিল্পী’

আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) বরেণ্য অভিনেতা টেলি সামাদের নামাজে জানাজায় হাজির হন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। জানাজা শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন,  অনেকের কাজ নিয়ে তার জীবদ্দশায় মূল্যায়ন করা হয় না। কিন্তু মৃত্যুর পর হলেও সেটি মূল্যায়ন করা হয়। পুরস্কৃত করা হয়। তাই টেলি সামাদের কাজের মূল্যায়ন করার সময় এসেছে। তার জীবদ্দশায় তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়নি।

হাছান মাহমুদ বলেন, টেলি সামাদ ছিলেন কালজয়ী অভিনয় শিল্পী। তার মৃত্যু আমাদের সংস্কৃতি জগতকে বিশাল একটা ধাক্কা দিয়েছে। তিনি যে মানের ও গুণের শিল্পী ছিলেন সেই মানের শিল্পী গড়ে উঠতে অনেক সময়ের প্রয়োজন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্যসচিব আব্দুল মালেক, সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক আকবর পাঠান ফারুক, আলমগীর, জায়েদ খান, চিত্রপরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার, অভিনেতা অমিত হাসান, সম্রাট, আলীরাজ, চিত্রনায়িকা অঞ্জনা, নাসরিন, সঙ্গীতশিল্পী ফকির আলমগীরসহ অনেকে।

জানাজা শেষে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মুন্সিগঞ্জে, তার নিজ গ্রাম নয়াগাঁওতে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে চিরশায়িত করা হবে।

টেলি সামাদের জন্ম ১৯৪৫ সালের ৮ জানুয়ারি, মুন্সীগঞ্জের নয়াগাঁও এলাকায়। তার আসল নাম আবদুস সামাদ হলেও সিনেমায় এসে হয়ে যান টেলি সামাদ। টেলি সামাদ পড়াশোনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায়। সংগীতেও রয়েছে এই গুণী অভিনেতার পারদর্শিতা। ‘মনা পাগলা’ ছবির সংগীত পরিচালনা করেছেন তিনি।

নজরুল ইসলামের পরিচালনায় ১৯৭৩ সালের দিকে ‘কার বৌ’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে এই অঙ্গনে পা রাখেন তিনি। তবে দর্শকদের কাছে যে ছবিটির মাধ্যমে সর্বাধিক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন সেটি হলো ‘পায়ে চলার পথ’। অভিনয়ের বাইরে ৫০টির বেশি চলচ্চিত্রে তিনি গানও গেয়েছেন। অভিনয় করেছেন ছয় শতাধিক চলচ্চিত্রে।

২০১৫ সালে তার অভিনীত সর্বশেষ ছবি মুক্তি পায় অনিমেষ আইচের ‘জিরো ডিগ্রী’।

 


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন