সাহিত্য

স্বরূপা


স্বরূপার এইমাত্র ঘুম ভেঙ্গেছে। স্বপ্নেও সে ভাবে নি এইসময় তাকে এইভাবে হাসপাতালে কাটাতে হবে। জীবনটাই এমন হয়তো, সমাজে চলতে ফিরতে কার সাথে কখন কি হতে চলেছে কেউ সেটা ভাবতে পারে না। আর যাদেরকে ভাগ্য বিড়ম্বিত করে, তাদের তো কথায় নেই।

তলপেটে ব্যথা হচ্ছে, দেহের আরও নানা জায়গায় একরকমের বর্ণনাতীত অসহ্য অনুভূতি। ঘুম ভেঙ্গে যতই স্বাভাবিক জ্ঞানে ফিরছিল, ততই মনে তীব্র বেদনা হতে লাগল। জ্ঞানটা না ফিরলেই কি ভাল হতো না! দেহের চেয়ে মনই তো বেশি কিছু। -এই কথাটা অনেকে হয়তো মানেই না। যেটা দেখা যায়, সেটাই তো বড়। স্বরূপা মানে, কিন্তু প্রয়োগ করতে পারে কি? মনের পবিত্রতা ইদানিং দেহে আর কতই প্রকাশ করা যায়, বরং বাহ্যিকতাই নানাভাবে মনটাকে তোলপাড় করাচ্ছে। সময়ের সাথে সাথে দেহ-মনের ক্রিয়াকলাপও পাল্টে যায় কিনা কে জানে।

গত পরশু দিনের কথা, ইমতিয়াজ ওর দিকে এমনভাবে তাকিয়েছিল! আজকালকার সংজ্ঞায় ইমতিয়াজকে স্বরূপার প্রেমিক বলতে হয়। যদিও স্বরূপার-ই সন্দেহ হয়; প্রেমিক কি প্রেমিকার দিকে ওভাবে তাকাতে পারে! সামান্যতম সম্মানবোধ আর পবিত্রতাও তো ছিল না ওর চাহনীতে। সে ইমতিয়াজের চোখে ক্ষীণ অভাব আর সীমাহীন আকাঙ্ক্ষা দেখেছিল। অবাক করা ব্যাপার হল –সে তো ইমতিয়াজকে ছাড়তেও পারে না। প্রয়োজনগুলো বড়ই অদ্ভুত –কোন একটা প্রয়োজন আছে কি স্বরূপার মনে!

 


প্রেয়তি, যদিও স্বরূপার চেয়ে বয়সে কিছু বড়ই হবে, তবুও সম্পর্কটা গভীর বন্ধুত্বের; যেখানে খুব গোপন কথাটাও যেকোনভাবে বলা যায়, একটুও বাঁধে না। প্রেয়তিই একদিন বলেছিল– “শোন, ওভাবে ছেলেদের এড়িয়ে চললে হয় না। তোর একটা প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা দরকার।” স্বরূপা বলেছিল – “কোন ছেলের সাথে মিশলেই তো প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা নড়বড় হতে পারে। ছাগলকে সবজি ক্ষেতের পাহারাদার বানানো আর কি!”
“তুই একটু অন্যভাবে ভেবে দ্যাখ। বাপ-মায়েরা মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য এতো উদগ্রীব কেন?- মেয়েদেরকে অন্যের হাতে দিয়ে কেনই বা তারা স্বস্তি পায়? কারণ তো ওই একটাই – নিরাপত্তা। বউ যখন স্বামীর সাথে থাকে –তখন এর চেয়ে আর বড় নিশ্চয়তা কি!”
“কিন্তু একটা ছেলের সাথে এইভাবে এই শহরে চলাফেরা করলেই তো সম্পর্কটা অতদূর গড়ায় না।”
“তবুও সম্পর্কটা গড়াল কি গড়াল না –সেটা একদিনে তো বোঝা যাবে না। তুই একা একা চলবি তো সব ছেলেরাই পাওয়ার আশা নিয়ে তোর দিকে তাকাবে। কারো সাথে যখন চলবি –অতগুলো দৃষ্টিতে ওই আকাঙ্ক্ষা আর থাকবে না নিশ্চয়।”
“তা ঠিক। একটা জিনিস বিক্রি হয়ে গেলে, সেটা তো আর কেউ কিনতে চাইবে না।”
“আমাদের মেয়েদের ওই এক দোষ। নিজেরাই নিজেদের ছোট করবে। আরে বাবা, যে কথাটা নিজের জন্য ভাবছিস সেটাই ওই ছেলেদের জন্য ভেবে দ্যাখ না।”

স্বরূপা ভেবে দেখেছে। এই কথাগুলো যে সে আগে ভাবেনি তা নয়। প্রেয়তি ভুল বলে নি– আমরাই নিজেদেরকে ছোট করছি। মনে করি, আমরাই শুধু ব্যবহার হচ্ছি –কেন ছেলেরা কি ব্যবহার হতে পারে না। ভাবি– আমরা বিক্রি হয়, এই কথাটা ছেলেদের বেলায় ভাবলে দোষ কি? –এসব ভাবলে দোষ নেই বটে, কিন্তু সে তো এসব ভাবার একটা উপযুক্ত ক্ষেত্রই খুঁজে পায় না।
নারীপুরুষ একে অন্যের পরিপূরক, সহযোগী। একজন ছাড়া অন্যজন আজীবন অসম্পূর্ণই থেকে যায়। এই সহজ কথাটায় স্বরূপা বোঝে; এখানে তো কারো মর্যাদার ঘাটতি হয় না– বরং সমানে সমান।
এখন প্রায় সম্পূর্ণই জ্ঞান ফিরেছে। তার গত দিন-রাতের ঘটনা বেশ পরিষ্কার মনে পড়ছে। সে কি নিজেকে প্রচণ্ড ঘৃণা করছে এখন, না’কি সমস্ত পৃথিবীটাকেই– ঠিক বুঝতে পারছে না। এই অনুভূতিগুলোর কোন বর্ণনা বা ব্যাখা নেই। নিজের মত করে বুঝে নিতে হয়। সেও তাই করছে। তার নিজে নিজে মারা যাওয়ার ইচ্ছে নেই। তাই ধৈর্য ধরে আছে এখন এবং এটাই সম্ভবত এই মুহূর্তের জন্য উপযুক্ত, নইলে কি করার আছে।

 


ইমতিয়াজের সাথে খুব বেশি দিন হল দেখা হয় নি স্বরূপার, সবে সাত মাস। ওর ইচ্ছে ছিল, অনার্সটা ঢাকাতে কোথাও করবে। কিছু মানুষ আছে যারা স্বচ্ছল নয়, কিন্তু স্বচ্ছলের মত আচরণ করতে ভালবাসে– স্বরূপাও তেমনি। সামর্থ্য নেই অতটা, যতটা প্রকাশ করতে ইচ্ছে হয়। কোনভাবে বাড়িতে বুঝিয়ে সে ঢাকাতেই একটা কলেজে ভর্তি হল।
কলেজে ভর্তি হওয়া যতটা সহজ ছিল, নানারকম সমস্যা মোকাবেলা করে একেকটি দিন এই শহরে অতবাহিত করা অত সহজ ছিল না। হাজারো ভাল গুণ অর্থের অভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে। ভাল থাকা-খাওয়া না হলে, জীবনের কোন অর্জন অন্তত ওর হবে না –সেটা স্বরূপা জানত। না খেয়ে, অর্থাভাবে, কষ্টে জর্জরিত কত মানুষ তো শেষপর্যন্ত পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে –এই উদাহরণটা তার কাছে বড়ই বেমানান লাগে এখন।

নানা ঝক্কি ঝামেলা পেরিয়ে একটা অফিসে রিসেপশনিস্টের চাকরির ব্যবস্থা করল সে; যেখানে ভিতরে কি আছে তার চেয়ে বরং বাহ্যিক আচরণ, আভরণ কেমন সেটার কদরই বেশি। তবুও সান্ত্বনা পেল এই ভেবে –সারাদেশে কত মেয়েই তো এই কাজ করছে, সুতরাং সেও সেইসব মেয়েদেরই একজন।
তার নানারকম অভিজ্ঞতা হয়েছে বটে। অভ্যর্থনা কক্ষের ক্ষুদ্র গণ্ডিতে তার যে দায়িত্ব, সেসবকে অতিক্রম করে সেখানে আসা যাওয়া করা লোকেরা অনেক কিছুই কল্পনা করে নিয়েছে। একসময় সে আবিষ্কার করেছে– মানুষগুলো তাকে অফিসের অন্যান্য সাধারণ কর্মীদের একজন হিসেবে ভাবতেই পারছে না, সে যেন অন্য কিছু। আরও অদ্ভুত ব্যাপার –অনেককেই দেখেছে কাজ না থাকা সত্ত্বেও এই অফিসে ঘোরাঘুরি করতে। শুধু এই আকর্ষণীয় রিসেপশনিস্টকে দেখার আশায়, কথা বলার আশায় যারা ঘোরাঘুরি করত তাদেরই একজন ইমতিয়াজ। আলাদা কোন গুণ নেই, চেহায়ার আতিশয্য নেই– সাধারণ ছেলেদেরই একজন মনে হয়েছিল তার।
আজকাল সম্পর্কগুলো যেভাবে গড়ায়, ঠিক তেমনি। কারণে–অকারণে যোগাযোগ, ফোনে কথা বলা আর একসময় একটু দেখাসাক্ষাৎ। স্বরূপা অতটা গুরুত্ব দেয় নি। একঘেয়েমি জীবনে এসব বেশ বৈচিত্র্যতাই এনেছিল। প্রথম প্রথম অগোছালো লাগলেও, পড়ে মনে হল– এই কথা বলা, মাঝে মাঝে ঘোরাঘুরি জীবনে অন্য একটা রুপ দিয়েছে। জীবন এখন আলাদা নিয়মের।

 


জড়বস্তুরও বেশিদিন পাশাপাশি থাকলে একরকমের মায়া জন্মায়। প্রাণীর ক্ষেত্রে সেটার গতিবেগ বাড়ে। ইমতিয়াজের প্রতিও মায়াই জন্মেছিল; দিনে দিনে তার রূপ বদলেছিল– একটু গাঢ় হয়েছিল বৈকি। ইমতিয়াজ প্রথম যেদিন হাত ধরেছিল, সেই সময়ের কথা মনে কেমন দাগ কেটে আছে। কোনকিছুই অতদুর গড়ায় নি, তবুও- সেই আলতো করে হাত ধরাটা শরীরের সমস্ত লোমকূপের গোঁড়ায় কি যেন এক অনুভূতি ছড়িয়ে দিয়ে এসেছিল। সেই অনুভূতি আলাদা, পৃথিবীর সমস্ত মানুষ এক এক করে তার হাত স্পর্শ করলেও এই অনুভূতি হত না। এটা সহ্য করা যায়, কিন্তু সীমানা প্রকাশ করা যায় না। স্বরূপা অবাক হয়ে তাকিয়েছিল ওর দিকে, কিছু বলে নি। কিছু একটা বুঝে হাতটা ছেড়ে দিয়েছিল একটু পরেই।

ওদের মধ্যে যে সব কথা হত, সেসবের না ছিল কোন ক্ষেত্র না কোন লক্ষ্য। বিশেষকরে স্বরূপার যেমন নানা বিষয় নিয়ে ভাবতে ভাল লাগত, ইমতিয়াজের তা লাগত না। ওর সমস্ত আগ্রহ স্বরূপাকে নিয়ে। স্বরূপা একদিন বলল– “২৭ বছরের বিবাহিত পুরুষ আর অবিবাহিত পুরুষের মধ্যে পার্থক্য কি”? ইমতিয়াজ যা বলল– তা সহজ সুযোগসন্ধানী উত্তর। বলল– “একজন বিবাহিত, অন্যজন অবিবাহিত”। সে একরকম করে হাসল, যার মানেটা ইমতিয়াজ বুঝে নিয়েছিল। স্বরূপা বলল– “একই বয়সের হলেও, পার্থক্য এই– যে বিবাহিত সে ভীষণ বিবেচক আর অবিবাহিত প্রায়ই অবিবেচনা প্রসূত আচরণ করে, বয়স বাড়লেও সম্ভবত এদের মনে তা কোন রেখাপাত করে না”।

দিনগুলো কাটছিল– স্বরূপার পার্টটাইম কাজ, ইমতিয়াজের চাকরি, প্রায় প্রতিদিন কথা বলা আর মাসের মধ্যে কয়েকবার দেখা করা। সে অনেকদিন থেকেই একটা ব্যাপার খেয়াল করছে। ইমতিয়াজের চাল-চলন ভাল ঠেকছে না আর। স্বরূপার অন্যকিছুর চাইতে দেহের দিকেই মনোযোগী বেশি সে, আসলে কি চাইছে ও। আজকাল নিরিবিলি– শান্ত রেস্টুরেন্ট তার ভাল লাগে না, ইমতিয়াজ ঘনিষ্ঠ হবার চেষ্টা করে। পার্কে ঘুরতে তার আগে থেকেই আগ্রহ নেই; ছেলে-মেয়েদের অযৌক্তিক ঘনিষ্ঠ হবার আকাঙ্ক্ষা তার অসহ্য লাগে। সে নিশ্চিত জানে– এদের কারোরই দীর্ঘ সম্পর্কের চিন্তা মাথায় নেই। সবাই ‘যত দ্রুত ফায়দা লুটানো যায়’– মতে বিশ্বাসী। এদের আত্ম মর্যাদা কি নেই? দুই দিনের কথা বার্তায় সমস্ত শরীর বিলিয়ে দেওয়া যায় কিভাবে?

বিলিয়ে দেওয়া যায়, অনেকেই সেটা পারে– কিন্তু সে পারছে না। সে এমন কারো সাথেই অনেকদূর হাঁটতে চায়, কারণে-অকারণে জড়িয়ে ধরতে চায়– যাকে আজীবনের জন্য সাথে রাখা যাবে। ইমতিয়াজ তো এমন কেউ নয়, যাকে জড়িয়ে ধরতে হবে– তবে তার মিছে আবদার কেন! সে স্বরূপার বন্ধু মাত্র; একসাথে ঘুরতে পারবে, কিছু কথা ভাগাভাগি করে নিতে পারবে– এর বেশি কিছু নয়।

 


মাঝে মাঝেই ইমতিয়াজ অবাঞ্চিত ইঙ্গিত দিয়ে আসছিল। স্বরূপা মন থেকে একটুও সায় দিতে পারে নি। ইমতিয়াজ নাছোড়বান্দা, দেখা হলেই তার পাগলামো বেড়ে যায়। এমন অসহায়ত্ব নিয়ে আবদার করে, স্বরূপা দ্বিধায় পড়ে যায়; না জানি কোনদিন সাড়া দিয়ে ফেলে। কিন্তু সবশেষে সে একটা কথায় জানে– সম্ভব নয়। বয়স আর দেহের আলাদা চাহিদা থাকে- তা থেকে স্বরূপা বঞ্চিত হয় নি, কিন্তু সে সবকিছু বৈধভাবে পেতে চায়।
গতকালকের সব কথায় স্বরূপার মনে পড়ছে। প্রেয়তির ওখানে ওরা অনেকবারই বিভিন্ন কারণে দেখা করেছে। প্রেয়তিও থাকতো– কোন সমস্যা হত না।

ইমতিয়াজ কোন এক জরুরী কারণ দেখিয়ে আজকেই দেখা করতে বলেছে। স্বরূপা সময় বের করে বিকেলে দেখা করতে চেয়েছে। ও যখন পৌঁছল, তার বেশ আগেই ইমতিয়াজ এসেছে বোঝা গেল– প্রেয়তির সাথে কি এক কথায় মশগুল, হাসা-হাসিও করছিল। একটু পরেই প্রেয়তি কোথায় যেন যাবে বলে উঠে পড়ল, যাওয়ার সময় হেসে ফিসফিসিয়ে বলল– “সামলে রাখিস”। স্বরূপার বুকের মধ্যে কেমন করে উঠল যেন– তার ভাল লাগলো না প্রেয়তির কথা। কিছুক্ষণ পরেই সে বুঝতে পারল ইচ্ছে করেই বিনা কারণে প্রেয়তি বাহিরে গেল, সেই সব ব্যবস্থা করে রেখেছি। ওকে এখন শত্রু মনে হচ্ছে স্বরূপার।

মানুষ অনেক সময় অনেক কিছুই পারে না; না পালাতে পারে না পূর্ণরূপে গ্রহণ করতে পারে। স্বরূপাও পারে নি, একটা সময় সে নিজেকে সমর্পণ করেছিল বিনা লাভে। ইমতিয়াজ সমস্ত ভালোলাগা, সুন্দর অনুভূতিগুলো ভুলে গিয়েছিলো যেন। নিজের কর্তিত্বই সে জাহির করেছে, স্বরূপাকে সামান্যতম গুরুত্বও সে দেয় নি। প্রায় বিধ্বস্ত অবস্থায় যতটুকু বোঝা যায়– তাতেই সে বুঝেছিল প্রেয়তিই ওকে এখানে নিয়ে এসেছে। এই হাসপাতালে স্বরূপা আগেও এসেছিল, প্রেয়তির পরিচিত। ভালই হয়েছে; ডাক্তার নার্সদের বুঝিয়ে সামলে নেওয়া গেছে, নইলে এসব ব্যাপারে ঝামেলা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সে সারারাত ঘুমের ঘোরে ছিল, না’কি জ্ঞান হারিয়েছিল– মনে পড়ছে না। যা হোক, দুটোই তো প্রায় একই ব্যাপার।

শরীর যন্ত্রনায় যত কাতর ছিল, তার চেয়ে বেশি আঘাত ছিল মনে। প্রেয়তি আর ইমতিয়াজ, দুটোকেই বিবেক-বর্জিত পশু মনে হচ্ছে। কোনদিন ওদেরকে দেখতে চায় না সে।
কালকের ঘটনাকে কি বলা যায়, স্বরূপার মনে দ্বন্দ- ভালবাসার চরম প্রকাশ, না’কি ফুঁসলিয়ে-ফাঁসলিয়ে ধর্ষণ। এখন ওর মনে ইমতিয়াজের মুখ নেই; আছে না খেতে পাওয়া ক্ষুধার্ত, হিংস্র কুকুরের মুখ।


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

Tags

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন