সারাদেশ

পরকীয়া প্রেমের কারণে স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম,প্রেমিকা হাসপাতালে

দেশরিপোটর
পরকীয়া প্রেমের বলী হলেন সখিপুরের শিরিন আক্তার (৩২) সহ একার্দিক পরিবার। শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার সখিপুর বাজারের পাশ্বে ছৈয়াল কান্দি গ্রামে মৃত্যু এস এম নাহিম সরদারের ছেলে আরফি হোসন সরদারের সাথে
দীর্ঘ ১০ বছর পূর্বে নরসিংন্দি জেলার নরসিংন্দি গ্রামের মামুন মিয়ার মেয়ে মেয়ে লিজা আক্তারে বিয়ে হয়। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, লিজা আরিফের বিয়ের চার বছর পর থেকে আরিফ হোসেন একই গ্রামের বাবুর দেওয়ানের মেয়ের সুমির সাথে পরকীয়া জরিয়ে পরে। পরকীয়া প্রেমের কথা আরিফের স্ত্রী লিজা আক্তার জানতে পারলে সুমির কথা মতো স্ত্রী লিজাকে বাড়ি ছাড়ার জন্য চাপ দিতে থাকে এবং মাঝে মাঝে শারীরিক নির্যাতন করে। কখনো কখনো স্বামী আরিফ সরদারে অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে লিজা আক্তার তার ননত মনি আক্তারে বারি গিয়ে থাকতো। আর মনি আক্তারের স্বামী বুলবুল সরদার টাকা পয়সা দিয়ে লিজার চিকিৎসা করাতো। সুমি আক্তার সৌদি আরবে থাকায় অবস্তায় আরিফ লিজার সংসার ভালোই যাচ্ছিল। সম্পতি সুমি সৌদি আরব হতে বাংলাদেশের আশার সাথে সাথে আরিফের সাথে আবাররো প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এ ব্যাপারটি লিজা আচ করতে পেরে সুমির সাথে কথা কাটা কাটি হয়। পরে আরিফের মোবাইল ফোন হতে আরিফ সুমির অনেক বাজে ছবি দেখায়। এক পর্যায়ে লিজার তার ননত মনি আক্তার,আরিফের ছেলে লিজার ঘর ভাঙ্গর অপরাদে সুমিকে শরীরিক ভাবে নির্যাতন করে। এরই ধারাবাহিকতায় আরিফ লিজাকে মারপিট করে ঘরবন্ধি করে রাখে। আর প্রেমীকা সুমি আক্তরকে হাসপাতালে ভর্তি করে আরিফ। এঘটনায় সুমি আক্তারের প্রেমীক আরিফকে বাদ দিয়ে লিজাকে সহযোগীতা করার কারনে বুলবুল সরদার সহ এলাকার ১০ জনকে আসামী করে সখিপুর থানায় একটি মামলা করে। লিজা সাংবাদিকদের দেখে কান্নাজরিত কন্ঠে বলেন এতোদিন আপনারা কোথায় ছিলেন? আমাকে দিনের পর দিন সুমির জন্য আমাকে মার পিট করতো তখন তো আপনারা আসেনি এখন আমি বিনা চিকিৎসায় বারিতে মরতে বশেছি। কখন যেন আমাকে হত্যা করে। ওই মেয়ে সুমির কথা মত আমার শ্বামী চলছে। কেউ কি নাই আমার কথা শুনার জন্য আমার কি হবে আমার সন্তান কইজাবে যে আমাকে টাকা পয়সা দিয়া সহযোগীতা করতো তাদের তো মামলা দিয়েছে। সত্যে ঘটনা মাটি চাপা দিয়েনা আমাকে বাচান এভাবে কথা গুলা বলেন নির্যাতিতা লিজা আক্তার। এব্যাপারে বুলবুল সরদার বলেন,আমি সুমিকে যে মারপিট করছে তা আরিফ আমাকে জানায় কিন্তু বাবুল দেওয়ানের সাথে জাদের জমি জমা নিয়ে বিরুদ্ধ আছে সবাইর বিরুদ্ধে মামলা করে আর আমি আরিফের স্ত্রী লিজাকে যাদে কোন আশ্রয় না দেই তারজন্য আমাকে আসামী করছে যা আমি কিছু জানিনা। এব্যাপারে সুমি আক্তার বলেন, আমার সাথে আরিফের কোন প্রেমের সম্পক নাই শে আমাদের জায়গা জমির বেপারে সহযোগীতা করে তাই তার সাথে আমাদের পরিবারের সর্ম্পক । এদিকে সখিপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক আকন্দ বলেন, লিজা আক্তারকে মারপিট করছে তা মুখিক শুনছি কিন্তু কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি অফিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিবো। শরীয়তপুর ভারভার্প্ত পুলিশ সুপার এসশান শাহ বলেন,লিজাকে আগে চিকিৎসা করান তিনি অভিযোগ করলে ব্যবস্থায় নেয়া হবে।


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন