বিনোদন

ঘুড়ি উড়াতে পারদর্শী সজল

পঞ্জিকামতে বাংলা পৌষ মাসের শেষের দিন উদযাপন করা হয় পৌষসংক্রান্তি। বর্তমানে ‘পৌষসংক্রান্তি’ শুধু ‘সংক্রান্তি’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে; আর পুরান ঢাকার মানুষ একে বলে ‘সাকরাইন’। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ‘সাকরাইন’ উৎসবে পৌষসংক্রান্তি ও মাঘ মাসের শুরুর দিনটিতে আগুন নিয়ে খেলা ও আতশবাজির মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রথম প্রহর। ছোট-বড় সবার অংশগ্রহণে মুখরিত হয় প্রতিটি বাড়ির ছাদ। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ে আকাশে ঘুড়ির সংখ্যা ও উৎসবের মুখরতা।এই উৎসব মুখর দিনটা আনন্দ ভাগাভাগি করতে পূরান ঢাকায় যান অভিনেতা সজল।অনেক ব্যস্ততা ও শূটিং থাকা সত্যেও বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আকাশে ঘুড়ি উড়ান।

সজল বলেন, সাকরাইন উপলক্ষে পুরান ঢাকার আকাশে শোভা পায় নানা রঙ আর বাহারি আকৃতির ঘুড়ি। এ ছাড়াও আগুন নিয়ে খেলা, আতশবাজি ফোটানো এ উৎসবে অন্যতম অনুষঙ্গ। এগুলো দেখতে যেমন ভালো লাগে, তেমন নিজের হাতে ঘুরি উড়ানো আতশবাজি ফোটানো অনেক মজার লাগে।আমি চেষ্টা করি প্রতি বছর এই দিনটা পূরান ঢাকার মানুষের সাথে আনন্দ ভাগাভাগী করতে।তবে এবারের আনন্দটা একটু বেশি ছিল।আমার খুব কাছের ছোট ভাইদের নিয়ে ছাদে ছাদে অনেক মজা করছি।কালকের দিনটা অনেক অনেক আনন্দের ছিল।

১৭৪০ সালের এই দিনে মোঘল আমলে নায়েব-ই-নাজিম নওয়াজেশ মোহাম্মদ খানের আমলে ঘুড়ি উড়ানো হয়। সেই থেকে এই দিনটি কেন্দ্র করে বর্তমানে এটি একটি অন্যতম উৎসব ও আমেজের পরিণত হয়েছে।

ধর্ম-বর্ণ ভেদাভেদ না রেখে সকলে এই উৎসব পালন করে থাকেন। দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই উৎসব পালন করে পুরান ঢাকাইয়ারা।


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন