খেলা

দুই ম্যাচ পর ফের জয়ের দেখা পেল মোহামেডান

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে দুই ম্যাচ পর ফের জয়ের দেখা পেল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। গতকাল পঞ্চম রাউন্ডে বিকেএসপিতে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে তিন উইকেটে জিতেছে ক্লাবটি। এদিকে মিরপুরে কলাবাগানের বিপক্ষে ৬ উইকেটের জয় পেয়েছে শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব। আর ফতুল্লায় অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে খেলাঘর সমাজকল্যাণ সমিতি।

সকালে বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রাইম ব্যাংক শুরুতে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। ৩৬ রান তুলতেই প্রথম ৬ উইকেট হারিয়ে বসে দলটি। মূলত মোহামেডানের দুই স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও বিপুল শর্মার ঘূর্ণিতে পথ হারায় তারা। এমন পরিস্থিতিতে দলকে টেনে তোলেন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান আলআমিন জুনিয়র (১১০) ও অলরাউন্ডার আরিফুল হক (৮৭)। সপ্তম উইকেট জুটিতে ১৬১ রান যোগ করেন দুজনে। শেষ পর্যন্ত প্রাইম ব্যাংকের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ২৫৯ রান। মোহামেডানের পক্ষে তাইজুল ৩টি এবং শর্মা ও অনিক পান দুটো করে উইকেট। জয়ের জন্য ২৬০ রানের টার্গেটকে সহজ করে দেন ওপেনার রনি তালুকদার (৬০) ও রকিবুল হাসান (৬৪)। ম্যাচের সাত বল বাকি থাকতেই ৩ উইকেটের জয় পায় মোহামেডান। ম্যাচ হারলেও ম্যাচসেরা পুরস্কার পেয়েছেন সেঞ্চুরিয়ান আলআমিন জুনিয়র।

এদিকে মিরপুরে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে শাইনপুকুরের জয়ে অলরাউন্ডিং নৈপুণ্য দেখান অধিনায়ক শুভাগত হোম। বল হাতে তিন উইকেটের পাশাপাশি ব্যাট হাতে করেন ৩০ রান। সকালে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানি রিত্রুদ্ধট আকবর উর রহমান (৭১) ও মাহমুদুল হাসানের (৫২) জোড়া ফিফটিতে ২৩২ রান সংগ্রহ করে কলাবাগান। জবাবে তাওহীদ হূদয় (৬৩) ও অলরাউন্ডার আফিফ হোসেনের (৬৭) জোড়া ফিফটিতে ম্যাচের ৪৫ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটের জয় তুলে নেয় নবাগত শাইনপুকুর। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে নবাগত এ ক্লাবটি।

আর ফতুল্লায় অগ্রণী ব্যাংককে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ারই সুযোগ দেয়নি খেলাঘর সমাজকল্যাণ সমিতি। চলতি প্রিমিয়ার লিগে এটা তাদের দ্বিতীয় জয়। গতকাল সকালে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে আট উইকেটে ২৫৯ রান সংগ্রহ করে অগ্রণী ব্যাংক। জাহিদ জাভেদ (৫৪) ও আব্দুর রাজ্জাক (৩০) ছাড়া কেউই দৃঢ়তা দেখাতে পারেননি। জয়ের জন্য মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন (১১৫) ও অশোক মেনারিয়ার (১১৩) জোড়া সেঞ্চুরিতে অনায়াসেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে খেলাঘর। ১৪ বল বাকি থাকতেই ৭ উইকেটের বিশাল জয় পায় দলটি। অগ্রণীর পক্ষে তিন উইকেট লাভ করেন পেসার সফিউল ইসলাম। ১১২ বলে ১১৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা অশোক মেনারিয়া।


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন