আইন-আদালতজাতীয়প্রধান সংবাদ

খালেদা জিয়ার জামিন ১৩ মার্চ পর্যন্ত

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ আগামী ১৩ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়েছেন আদালত। গতকাল পুরান ঢাকার বকশিবাজারস্থ অস্থায়ী আদালতে ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

গতকাল বেলা সোয়া ১১টায় বিচারক মামলার কার্যক্রম শুরু করেন। এরপর প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে হাজিরা পরোয়ানা ইস্যুর আবেদন করেন। একই সঙ্গে মামলার অন্য এক আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষে অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক শুনানি শুরুর জন্য আবেদন করেন।

ওই সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবী আব্দুর রেজ্জাক খান বলেন, ‘যেহেতু খালেদা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় কারাগারে রয়েছেন, তাই তার অবর্তমানে যুক্তিতর্ক শুনানির সুযোগ নেই। আর আমরা আশা করছি, আগামী ৭ মার্চের মধ্যে খালেদা জিয়া হাইকোর্ট থেকে অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জামিন পেয়ে যাবেন। এখন যদি এ মামলায় হাজতি পরোয়ানা ইস্যু করা হয়, তবে তার মুক্তি বিলম্বিত হবে। আমাদের অনুরোধ, হাজিরা পরোয়ানা ইস্যুর আবেদনটি আগামী ধার্য তারিখ পর্যন্ত মুলতবি রাখা হোক।’

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক আগামী ১৩ ও ১৪ মার্চ মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করেন। একই সঙ্গে ১৩ মার্চ পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি করে ওইদিন হাজতি পরোয়ানার বিষয়ে আদেশের পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি দুদকের পক্ষে খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে হাজিরা পরোয়ানা ইস্যুর আবেদন করা হয়। গত রোববার ওই আবেদনের ওপর শুনানি হয়। ওইদিন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা একইভাবে বিরোধিতা করায় সোমবার শুনানির দিন ধার্য করা হয়।

উল্লেখ্য, আদালত জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন এবং ওইদিনই তাকে কারাগারে পাঠান।


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন