সারাদেশ

বক্তাবলীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাল মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা

মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসে একাত্তরের ২৯ নভেম্বর দিনটি ছিল নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য বেদনাবিধুর দিন। এ দিন নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানার দুর্গম চরাঞ্চল বুড়িগঙ্গা নদী বেষ্টিত বক্তাবলীতে হত্যাযজ্ঞ চালায় পাক হানাদার বাহিনী।

স্বাধীনতা যুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে একসঙ্গে এতো প্রাণহানির ঘটনা দ্বিতীয়টি আর নেই। স্বজন হারানো ব্যাথা ও কষ্ট নিয়েও শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রতিবছরই পালিত হয় এই দিবসটি।

নারায়ণগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ও আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বিভিন্ন সংগঠন যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন করেছেন।

কানাইনগর ছোবহানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অবস্থিত স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে বিণম্র শ্রদ্ধা জানান মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের পক্ষে এম এম সালাহউদ্দিন, আলামিন প্রধান, নূর আলম আকন্দ, হোসাইন মো. রাসেল, অজিউল্লাহ ও হেলাল মিয়া।

এছাড়া, ঘাতক দালাল নির্র্মূল কমিটির নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি চন্দন শীলের পক্ষে সওদাগর খান, আলোকিত বক্তাবলী সংগঠনের সভাপতি নাজির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বাদল হোসেন ববি, সাবেক আহবায়ক মাশফীকুর রহমান শিশির, শাহাদাৎ হোসেন আকাশ প্রমুখ স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

সন্তান কমান্ডের পক্ষে আলামিন প্রধান বলেন, স্বাধীনতার ৪৭ বছরেও বক্তাবলীতে শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। ফলে বক্তাবলীর বাসিন্দাদের মধ্যে রয়েছে চাপা ক্ষোভ।

স্বাধীনতার দীর্ঘ ৩৩ বছর পর ২০০৫ সালের ২৯ নভেম্বর বক্তাবলীর কানাইনগর হাইস্কুল মাঠে শহীদদের স্মৃতি রক্ষায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করলেও তাতে নেই শহীদদের নাম ফলক। অযত্ম অবহেলায় স্মৃতিস্তম্ভটির বেহালদশা দেখে হতাশ হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা।

 

 

সিএসবি

 


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন