বিনোদন

শিল্পী সংঘের নির্বাচনী হাওয়ায় সরগরম নাটকপাড়া

নাটকপাড়ায় ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনয় তারকাদের পদচারণায় এখন মুখরিত। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা প্রাঙ্গণ ও মুক্তিযুদ্ধার সামনে গত ক’দিন ধরেই সন্ধ্যা থেকে শুরু করে ১১টা পর্যন্ত দেখা মিলছে ছোটপর্দার জনপ্রিয় তারকাদের সমাগম। শুধু শিল্পকলা ও মুক্তিযুদ্ধা  নয়, বেইলি রোডস্থ নাটক সরণী, শান্তিনগর মোড়, মগবাজার মিডিয়া গলিসহ টিভি মিডিয়ার সকল আড্ডাখানা এখন নির্বাচনী হাওয়ায় সরগরম। আগামী ২১জুন শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে ছোটপর্দার অভিনয় শিল্পীদের সংগঠন ‘অভিনয় শিল্পী সংঘ’ এর নির্বাচন।  ২০১৯-২০২১ মেয়াদের এই কার্যনির্বাহী কমিটিতে নির্বাচিত হতে লড়ছেন ছোটপর্দার একঝাঁক প্রিয়মুখ। ‘জিতবে একুশ জন, হারবে না কেউ’ স্লোগানে এবার নির্বাচনে ৫২ জন শিল্পী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যার মধ্য থেকে সাধারণ ভোটারদের ভোটে নির্বাচিত হবেন ২১ জন। তাদের নিয়েই গঠিত হবে আগামী দু’বছরের জন্য নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি। আসন্ন নির্বাচনে বরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব খায়রুল আলম সবুজ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন ।

তাই এ নির্বাচন নিয়ে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। ঢাকার নানা প্রান্তে বারবার মিলিত হচ্ছেন সবাই। আড্ডা আর নির্বাচনী মুখরতায় কাটছে সবার ব্যস্ত সময়। সন্ধ্যার নীরবতা ভেঙে রাজধানীর মগবাজার, শিল্পকলা একাডেমিসহ নানান জায়গায় দেখা যাচ্ছে শিল্পীদের। সেইসঙ্গে ফেসবুকের টাইমলাইনে চলছে আলোচনা আর প্রচারণার ঝড়। এই নির্বাচন সংস্কৃতিপ্রেমী দর্শক-শুভাকাঙ্খিদের মধ্যেও এনেছে আনন্দের উষ্ণতা।

এবারে সভাপতি পদে লড়ছেন তিনজন। তারা হলেন আশিকুল ইসলাম খান (তুষার খান), মিজানুর রহমান ও শহীদুজ্জামান সেলিম। তাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন একজন। তিনটি সহ-সভাপতি পদের জন্য লড়ছেন আজাদ আবুল কালাম, আহসানুল হক মিনু, ইউজিন ভিনসেন্ট গোমেজ, ইকবাল লাবু, তানিয়া আহমেদ ও দিলু মজুমদার। সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন আহসান হাবিব নাসিম ও আবদুল হান্নান। দুটি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হওয়ার জন্য লড়ছেন আশরাফ কবীর, আনিসুর রহমান মিলন, আমিনুল হক আমিন, কামরুল হাসান (রওনক হাসান), সুমনা সোমা। এদিকে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় সাংগঠনিক সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত লুৎফর রহমান জর্জ। অর্থ-সম্পাদক হিসেবে একটি পদের বিপরীতে লড়ছেন নূর এ আলম (নয়ন) এবং মাঈন উদ্দিন আহমেদ (কোহিনূর)। দফতর সম্পাদক পদে লড়াইয়ে থাকা চার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হলেন উর্মিলা শ্রাবন্তী কর, আরমান পারভেজ মুরাদ, গোলাম মাহমুদ, মেরাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সম্পাদক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন। তারা হলেন জিনাত সানু স্বাগতা, পাভেল ইসলাম ও রাশেদ মামুন অপু। এখান থেকে জয়ী হবেন যে কোন একজন।

আইন ও কল্যাণ সম্পাদকের একটি পদে লড়ছেন মম শিউলী (মমতাজ বেগম), শামীমা ইসলাম তুষ্টি ও শিরিন আলম। প্রচার ও প্রকাশনা পদে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন প্রাণ রায়, শফিউল আলম বাবু এবং শহিদ আলমগীর। একইভাবে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পদে লড়ছেন সিরাজুল ইসলাম (মুলুক সিরাজ) ও সুজান হোসেন (সুজাত শিমুল)। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে সাতজন নির্বাচিত হবেন।

সেই পদে লড়াই করছেন খালেদ আহমেদ সালেহিন (রাজিব সালেহিন), জাকিয়া বারী মম, নুরুন জাহান বেগম, রেজাউল করিম সরকার (রেজাউল রাজু), বন্যা মির্জা, নাদিয়া আহমেদ, মাসুদ আলম তানভীর (তানভীর মাসুদ), মাহাদী হাসান পিয়াল, মুনিরা বেগম মেমী, ওয়াসিম হাওলাদার (ওয়াসিম যুবরাজ), জাহিদুল ইসলাম চৌধুরী (জাহিদ চৌধুরী), মাহাবুবুর রহমান মোল্লা (নিথর মাহবুব), সনি রহমান, শামস ইবনে ওবায়েদ (শামস সুমন), আবদুর রাজ্জাক, সামসুন নাহার শিরিন (সূচনা সিকদার) ও সেলিম মাহবুব।


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন