Notice: 3.0.0 ভার্সন থেকে header.php ছাড়া থিম ফাংশনটি deprecated করা হয়েছে এবং এর এখনও কোন বিকল্প নেই। অনুগ্রহ করে আপনার থিমে একটি header.php টেমপ্লেট যোগ করুন। in /home1/deshreport/public_html/wp-includes/functions.php on line 4019
বুলবুল আহমেদের চলে যাওয়ার ১০ বছর - দেশ রিপোর্ট বুলবুল আহমেদের চলে যাওয়ার ১০ বছর - দেশ রিপোর্ট

বিনোদন

বুলবুল আহমেদের চলে যাওয়ার ১০ বছর

দেখতে দেখতে চলে গেল দশটি বছর। ২০১০ সালের ১৫ জুলাই পৃথিবী থেকে বিদায় নেন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি মহানায়ক বুলবুল আহমেদ। তার চলে যাওয়ার দীর্ঘ সময় পার হলেও ‘দেবদাস’খ্যাত এই অভিনেতা এখনও দর্শক-ভক্তদের হৃদয়ে সমুজ্জ্বল।

মৃত্যুবার্ষিকীতে বুলবুল আহমেদকে নিয়ে তার তনয়া ও অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা আহমেদ বলেন, বাবা নেই, দশ বছর হয়ে গেল। এটা মানতে খুব কষ্ট হয়, তবুও প্রকৃতির নিয়ম মেনে নিতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমার বাবা ছিলেন আমার শিক্ষক । তার থেকে আমি সবকিছু হাতে ধরে শিখেছি। তার জন্যই আমার অভিনয়ে আসা। জ্ঞান হবার আগেই আমি দেড় বছর বয়সে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছি। বাবা তার পছন্দের অনেক চরিত্র আমাকে দিয়ে পর্দায় তুলে ধরেছেন। তাছাড়া আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধুও ছিলেন। সকল বিষয়ে তিনি আমাকে দিকনির্দেশনা দিতেন, পরামর্শ দিতেন। যা আমি আজও মেনে চলি।

ঐন্দ্রিলা বলেন, মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পারিবারিকভাবে এতিমখানায় এতিমদের খাওয়ানো, মসজিদে দোয়া মাহফিল ও কোরআন খতমের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে এবং পরিবারের সবার উপস্থিতে। এবার করোনার কারণে ফিজিক্যালি কিছু করতে পারছি না। তবে আমরা সবাই এদিন কিছু ফেসবুক লাইভে যুক্ত হয়ে বাবাকে স্মৃতিচারণ করব।

বুলবুল আহমেদের আসল নাম তবারুক হোসেন। বাবা-মা তাকে আদর করে ডাকতেন বুলবুল নামে। সে নামেই তিনি সবার কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন। ১৯৪১ সালে পুরান ঢাকার আগামাসি লেনে তার জন্ম। ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে মেট্রিক, নটরডেম কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেই তিনি জড়িত হন গ্রুপ থিয়েটার আন্দোলনের পথিকৃৎ ড্রামা সার্কেলের সঙ্গে। ড্রামা সার্কেলের হয়ে মঞ্চে ‘ইডিপাস’ ও ‘আর্মস অ্যান্ড দ্য ম্যান’ নাটকে অভিনয় করেন। ১২ বছর প্রেম করার পর ১৯৬৫ সালে বিয়ে করেন নাট্যাভিনেত্রী ডেইজি আহমেদকে।

মামাতো ভাই অভিনেতা নাজমুল হুদা বাচ্চুর মাধ্যমে ১৯৬৮ সালে টিভি নাটকে অভিনয় শুরু করেন বুলবুল আহমেদ। আবদুল্লাহ ইউসুফ ইমামের ‘ইয়ে করে বিয়ে’র মধ্য দিয়ে ১৯৭৩ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় বুলবুল আহমেদের।

চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী এই অভিনেতার উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে ‘সূর্যস্নান’, ‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘মোহনা’, ‘রূপালী সৈকতে’, ‘জীবন নিয়ে জুয়া’, ‘সোহাগ’, ‘অতিথি’, ‘বধূবিদায়’, ‘দেবদাস’, ‘ওয়াদা’, ‘ভালোমানুষ’, ‘মহানায়ক’, ‘রাজলক্ষ্মী-শ্রীকান্ত’, ‘শুভদা’, ‘শহর থেকে দূরে’, ‘অঙ্গার’ প্রভৃতি। বহু টিভি নাটকেও এই গুণী শিল্পী অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে এইসব দিনরাত্রি, বরফগলা নদী, ইডিয়ট উল্লেখযোগ্য।


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন