Notice: 3.0.0 ভার্সন থেকে header.php ছাড়া থিম ফাংশনটি deprecated করা হয়েছে এবং এর এখনও কোন বিকল্প নেই। অনুগ্রহ করে আপনার থিমে একটি header.php টেমপ্লেট যোগ করুন। in /home1/deshreport/public_html/wp-includes/functions.php on line 4019
পানগাঁও কাস্টমসে রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন ও জরিমানা বেড়েছে - দেশ রিপোর্ট পানগাঁও কাস্টমসে রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন ও জরিমানা বেড়েছে - দেশ রিপোর্ট

সারাদেশ

পানগাঁও কাস্টমসে রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন ও জরিমানা বেড়েছে

কেরানীগঞ্জে পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনাল (আইসিটি)। এ আইসিটি দিয়ে পণ্য আমদানির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে রাজস্ব ফাঁকি। আমদানিকারক ও সি অ্যান্ড এফ এর একটি চক্রের যোগ সাজশে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে। তবে এ ফাঁকি ধরতে তৎপর পানগাঁও কাস্টমস হাউস।

পানগাঁও কাস্টমস হাউসের তদারকি আর নজরদারি বৃদ্ধির ফলে চক্রটি অনেকটাই কোণঠাসা। এর ফলও আসতে শুরু করেছে। জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে ১৫ কোটি ২৪ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদ্ঘাটন করেছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা, যা অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। আর ফাঁকি প্রমাণিত হওয়ায় ছয় কোটি ২৪ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

পানগাঁও কাস্টমস হাউস সূত্র জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২১ জুন পর্যন্ত ২২৫টি বিল অব এন্ট্রি যাচাই করা হয়। এতে প্রায় শতাধিক আমদানিকারকের বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে ১৫ কোটি ২৪ লাখ ২৮ হাজার ৫৯৭ টাকা রাজস্ব ফাঁকি উদ্ঘাটন করা হয়েছে। এসব আমদানিকারককে শুল্ক ফাঁকিতে সহায়তা করেছে ৩৫ টি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস। বেশিরভাগ পণ্যের মিথ্যা ঘোষণা ও কায়িক পরীক্ষায় অতিরিক্ত পণ্য থেকে রাজস্ব ফাঁকি উদ্ঘাটন করা হয়। আর জরিমানাসহ ছয় মাসে মোট ২১ কোটি ৪৮ লাখ ৮৮ হাজার ৯৭ টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে।

জানুয়ারি মাসে ৩২টি বিল অব এন্ট্রি যাচাই করে দুই কোটি ১৩ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮৩ টাকা ফাঁকি উদ্ঘাটন করা হয়। জরিমানা করা হয় ৬০ লাখ ২০ হাজার টাকা। ফেব্রুয়ারিতে ২৪টি বিল অব এন্ট্রি যাচাই করে এক কোটি ৪৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬১১ টাকা ফাঁকি উদঘাটন করা হয়। জরিমানা করা হয় ৪০ লাখ ৬১ হাজার টাকা।

মার্চে ২৩টি বিল অব এন্ট্রি যাচাই করে দুই কোটি আট লাখ ৮৩ হাজার ২০ টাকা ফাঁকি উদঘাটন ও ৬৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এপ্রিলে তিনটি বিল অব এন্ট্রি যাচাই করে তিন লাখ ৮৮ হাজার ৪৫ টাকা ফাঁকি উদঘাটন এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

মে মাসে ৬৫টি বিল অব এন্ট্রি যাচাই করে চার কোটি ৪৭ লাখ ৩১ হাজার ৭৮৭ টাকা ফাঁকি উদ্ঘাটন এবং এক কোটি ৮০ লাখ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জুন মাসে (৯ জুন পর্যন্ত) ১৫টি বিল অব এন্ট্রি যাচাই করে এক কোটি দুই লাখ ৩৮ হাজার ৮২৫ টাকা ফাঁকি উদ্ঘাটন এবং ৪৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আর ১০ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ৬৫টি বিল অব এন্ট্রি যাচাই করে চার কোটি এক লাখ ৫৮ হাজার ৩২৬ টাকার শুল্ক ফাঁকি উদঘাটন এবং দুই কোটি ২৬ লাখ ৪১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

শুল্ক ফাঁকির তালিকায় রয়েছে যেসব আমদানিকারকঃ পাওয়ার ট্রেডিং, তৈয়ব স্টিল করপোরেশন, রাফিয়া স্টিল ক্লথ (প্রা.) লিমিটেড, লুবনা ইন্টারন্যাশনাল, আল নাফি ট্রেডার্স, চৌধুরী বিয়ারিং হাউস, এল আর টেডার্স, হায়দার অটোমোবাইলস, জে আর এস এক্সক্লুসিভ প্লাস, রেইনবো বিডি ইন্টারন্যাশনাল, আদিবা স্টিল লিমিটেড, কাউসার স্টিল লিমিটেড, জিয়া স্টিল হাউস, এসএইচ করপোরেশন, এমএস ইন্টারন্যাশনাল, নোভা ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড হোম অ্যাপ্লিকেশন কোম্পানি, ভাওয়াল স্টিল হাউস, মিলি স্টিল হাউস, ডাইভার্স ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, স্টাইল ট্রেডিং, এনায়েত ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, এম এস ইন্টারন্যাশনাল, এবি নুর ইন্টারন্যাশনাল, সিটি স্টিল করপোরেশন, আরএনএস স্টিল হাউজ, গ্রীন ট্রেডিং, রতন অ্যান্ড ব্রাদার্স, রহী ডিস্ট্রিবিউশন, খান কোম্পানি, গ্লোসি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, সাদিফ করপোরেশন, বুখারী স্টিল লিমিটেড, জে অ্যান্ড ডি হার্ডওয়্যার, এভারগ্রীন বিজনেস ইন্টারন্যাশনাল, আল আমিন ট্রেডিং, এপি ট্রেডিং কোম্পানি, সিরাজ স্টিল হাউস, ইউকন ইলেকট্রনিক ওয়ার্ল্ড, এইচ এম ইন্টারন্যাশনাল, এসি ওয়ার্ল্ড হেবি ইন্ডাস্ট্রি, ইছামতি করপোরেশন, এস এল করপোরেশন, তুর্কি নিটিং ফ্যাক্টরি, ডিউ টার্চ বিডি লিমিটেড, তৌহিদ আয়রন স্টিল, প্রিন্ট বাজার লিমিটেড, এপি ট্রেডিং কোম্পানি, জারা ইন্টারন্যাশনাল, লাবিব ইম্পোরিয়াম, এস সাগর ইলেকটনিক্স, রহিম অ্যান্ড ব্রাদার্স, সেঞ্চুরি ট্রেড, আলিনা অটো বাইক ইন্ডাস্ট্রিজ, এসআর করপোরেশন, নীড কর্নার, নিউ মোবারক অ্যান্ড ব্রাদার্স, বি সাফ হেলথকেয়ার লিমিটেড, মহসিন ট্রেডিং করপোরেশন, জেএলসি ইন্টারন্যাশনাল, লেডি গ্রেস, রাহিমা ইন্টারন্যাশনাল, আল আমিন বিজনেস করপোরেশন, প্রমি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, কবির অ্যান্ড কোং, গিফট গ্যালারি, অ্যালায়েন্স কনসোডিয়াম লি., সাজ্জাত অ্যান্ড সাব্বির ট্রেডল্যান্ড, নাজ করপোরেশন, মণ্ডল ইন্টারন্যাশনাল, তাহসিন ট্রেডিং হোম, জেএসকে ইন্টারপ্রাইজ, গাজী স্টিল হাউস প্রভৃতি।

আমদানিকারকদের রাজস্ব ফাঁকিতে ঢাকা কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের বড় বড় নেতা সহ যেসব সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টঃ ঢাকা ট্রেডিং কোম্পানি, এইচ এস ট্রেডার্স, মেহেরুন এন্টারপ্রাইজ, আদিবা ইন্টারন্যাশনাল, এস এস প্রিন্স কার্গো সিস্টেম, প্রোটি ইন্টারন্যাশনাল, ফ্লিম ফেয়ার লিমিটেড, এইচ কে ট্রেডিং, রাহাত ইন্টারন্যাশনাল, রোজ ভ্যালি ইন্টারন্যাশনাল, মাহি অ্যান্ড লামিয়া ট্রেডার্স, ইএইচ ট্রেডিং, এস এ এস ইন্টারন্যাশনাল, ওরচার্ড সিন্ডিকেট, অসীম এন্টারপ্রাইজ, পি এম ইন্টারন্যাশনাল, এস এ বাদল চৌধুরী, এস এ টি করপোরেশন, এস কে ইন্টারন্যাশনাল, ইউনাইটেড ট্রেড এজেন্সি, ইউনিকো ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, তাহসিন এন্টারপ্রাইজ, এস এম সারাফ এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড, আমিন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, মাহিবী এন্টারপ্রাইজ (প্রা.) লিমিটেড, এস এস প্রিন্স কার্গো, জাহান ট্রেড লিঙ্ক, ইউনিক সার্ভিস, এন এইচ শিপিং লাইনস, খায়ের ব্রাদার্স, এইচ এস ট্রেডার্স, প্রিয়াঙ্কা সিন্ডিকেট, হোসেন এন্টারপ্রাইজ, শিপন এন্টারপ্রাইজ, এস আর এফ (ইন্টা.) লজিস্টিক সার্ভিস, আর এ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, সি এস এন্টারপ্রাইজ, এস এ এস ইন্টারন্যাশনাল, হেলেন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, তাজ ইন্টারন্যাশনাল ও প্রিন্স কার্গো করপোরেশন। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে উল্লেখিত সি এন্ড এফ এজেন্টের বেশকিছু চালান অনিয়মের কারণে ধরা পড়ে!
ঢাকা ও চট্টগ্রামের কিছু প্রভাবশালী সিএনএফ


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। DeshReport.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো সংবাদ...

মন্তব্য করুন